বিষাক্ত ধোঁয়ায় বন্দি পথচারী: প্রতিবাদ করলেই ধমক না হয় বুলেট
ব ষ ক ত ধ য় য় – রাজধানী ঢাকার পুরানো পল্টন মোড় একটি চিহ্নিত স্থান। অফিসের ছুটির পর তার প্রায় সব ক্ষেত্রেই মানুষ উপচে পড়ে। এই ভিড়ের মাঝখানে হেঁটে হেঁটে সিগারেট টানছে এক যুবক। তার ঠোট থেকে নির্গত হওয়া ধূসর ধোঁয়া পেছনের বাতাসে মিশে যাচ্ছে। সেই বিষাক্ত ধোঁয়ায় পেছনে থাকা সাধারণ মানুষ বন্দি হচ্ছে। তাদের মধ্যে রয়েছে স্কুলফেরত শিশু ও গর্ভবতী মহিলা।
হুমকি দিয়ে প্রতিবাদ করায় সেই ধূমপায়ী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। চোখ রাঙিয়ে কর্কশ গলায় বলেন, “ধোঁয়া সহ্য না হলে প্রাইভেট কারে চড়েন, না হয় ইউরোপের দেশে গিয়ে বসবাস করেন!” এটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি রাজধানীর তোপখানা রোড, বিজয়নগর বা সচিবালয় মেট্রো স্টেশনের নিচে প্রতিদিনের দৃশ্য। মেট্রো থেকে নেমে ফাঁকা জায়গায় এসে সিগারেট টানা শুরু করে কয়েকজন মানুষ। ফলে শত শত যাত্রী জন্য দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
সন্দেহের তীর হেলমেট বাহিনীর দিকে
গত বৃহস্পতিবার রাতে সোনাইমুড়ীতে ঘটে যায় এমন একটি গুলি রক্তক্ষয়ী ঘটনা। সোনাপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের চৌরাস্তার মোড়ে কয়েকজন চিহ্নিত যুবক প্রকাশ্যে ধূমপান করছিল। সামাজিক মর্যাদার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য স্থানীয় কয়েকজন তাদের সেখানে ধূমপান বন্ধ করার অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা কোনো অনুতপ্ত ভাবে না হয়ে সামান্য অনুরোধে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সাথে সাথে স্থানীয়দের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরদিন শুক্রবার রাত ৯টার দিকে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল থেকে নেমে সাধারণ মানুষের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। মুহূর্তের মধ্যে আনন্দমুখর চৌরাস্তার মোড় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দৌড়াতে থাকে। ঘটনাস্থলে ৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে। হামলাকারীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যাওয়ার পর পুরো এলাকায় আতঙ্কিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয়দের দাবি হামলায় কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, “ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্ত চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ধূমপান �