Bangladesh

নারী শান্তিরক্ষীদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

নারী শান্তিরক্ষীদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী ন র শ ন ত রক ষ - ১০ জুন বুধবার আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠানে

Desk Bangladesh
Published June 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নারী শান্তিরক্ষীদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

ন র শ ন ত রক ষ – ১০ জুন বুধবার আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে যার জন্য নারী শান্তিরক্ষীদের প্রশংসা করা হয়েছে।

শান্তিরক্ষীদের গুরুত্ব ও অবদান

১৯৮৮ থেকে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের এক লাখের বেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩টি দেশে মিশনে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে সফলতা অর্জন করেছে। বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ১০টি মিশনে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন। আমি আল্লাহর দরবারে তাদের মাগফিরাত কামনা করছি।’

তিনি শহীদ ও আহত শান্তিরক্ষীদের পরিবারের জন্য গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগকে শান্তি বিষয়ক মানুষের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, একটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য এখনও দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রাক্তন মিশন ও নতুন প্রস্তাব

প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে বিশ্বের জটিল সমীকরণের কারণে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ঝুঁকিপূর্ণ চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে বলে জানান। তিনি মন্তব্য করেন, সাইবার যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারের কারণে আগামী মিশনগুলো আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়া দরকার।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও দূরদর্শী এবং কৌশলপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কূটনীতিক ও জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবসময় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও পারস্পরিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদার নীতিতে বিশ্বাস করে।

সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘প্রফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন ও চেইন অফ কমান্ড ছাড়া কোনো দেশ সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকতে পারে না।’

সামাজিক পরিবেশের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি সশস্ত্র বাহি�

Leave a Comment