বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ‘সোনালি ৫০ বছর’: জলবায়ু মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের আহ্বান
ব ল দ শ চ ন সম – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের পর চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন। তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে অংশ গ্রহণ করছেন। এই সফরটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বিদেশ সফর।
সফরের প্রথম দিন সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। স্বাগতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে হোটেল শাংগ্রি-লা পৌঁছে দেয়া হয়। সেখানে তাদের স্বাগতিক প্রকাশ করেন লিয়াওনিং প্রদেশের ভাইস গভর্নর ও চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত।
“বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করবে।”
সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকারের শুরুতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। পরবর্তী আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পরিবেশ সুরক্ষার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার ও বন্যার ঝুঁকি কমাতে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা আছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য জাহির করেন প্রধানমন্ত্রী। এই উদ্যোগগুলোকে ভূয়সী প্রশংসা করেন আলোইস জভিংগি। তিনি বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উদ্যোগের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
চীনে পৌঁছানোর আগে মালয়েশিয়া সফরের শেষ অংশে কুয়ালালামপুরে তার সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের একান্ত