তিন মাসেই কার্যকর হতে পারে রামিসার খুনিদের ফাঁসি
ত ন ম স ই ক র – রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডে শুকায়নি দেশবাসীর বুক থেকে একটি ক্ষত রয়েছে যে নিষ্পাপ আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের প্রতি। বর্তমানে এই পৈশাচিক ঘটনার বিচার দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের নজিরবিহীন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে।
মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান যে এই ফাঁসির রায় আগামী তিন মাসের মধ্যে কার্যকর হওয়া সম্ভব। আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপের সময় তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।
আমাদের আইনি বাধ্যবাধকতা আছে যে সাত দিনের মধ্যে এই ফাইল চলে যাবে ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে। যাওয়ার পরে সমস্ত মামলায় পেপার বুক রেডি করতে হয়, পেপার বুক বাইরে করার সুযোগ নাই। পেপার বুক সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানেই হয়।
অতীতে মেজর সিনহা এবং বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় প্রধান বিচারপতির অবদানে দ্রুত নিষ্পত্তি ঘটেছিল। তার মতে রামিসার ক্ষেত্রেও তেমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন যে আজকের এই যে ফাস্ট ট্র্যাক সরকার একা করেননি, আপনাদের মাথায় রাখতে হবে যে মাননীয় প্রধান বিচারপতি যদি ১৫ই জুন পর্যন্ত এই মাননীয় বিচারকদের যে ছুটি ছিল সেই ছুটি বাতিল না করতেন তাহলে ফাস্ট ট্র্যাক করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হত না।
আইনে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও সুপ্রিম কোর্ট ও সলিসিটর অফিসের যৌথ উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে সব ধাপ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। হিসাবটি বুঝিয়ে দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, “একটা হল এক সপ্তাহের মধ্যে যদি ফাইলটা আসে, আমরা যদি তার পরের সপ্তাহ থেকে এটাকে পেপার বুকে দিয়ে দিতে পারি, পেপার বুক যদি ১৫ দিনের মধ্যে আমরা শেষ করতে পারি, তারপরে যদি বিশেষ বিবেচনায় এটা শুনানি করা হয়, শুনানি যদি দুই সপ্তাহের মধ্যে করি, তারপর অ্যাপিল ডিভিশনে যাবে, এটা তিন মাস থেকে তিন মাসের মধ্�