বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজস্ব খনিজ সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে
অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও শিল্পায়নে জ্বালানির গুরুত্ব
ব শ ব ক চ য ল – বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ পরিহালনের জন্য দেশের প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং শিল্পায়ন ধারাকে সচল রাখতে নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং দুর্যোগ-সহনশীল জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আধুনিক ব্যবস্থার নির্মাণে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
প্রাইমারি অ্যানার্জি কনফারেন্সে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
সোমবার (১৫ জুন) ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় প্রাইমারি অ্যানার্জি কনফারেন্স। এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শীর্ষ নীতিনির্ধারক এবং গবেষকদের উপস্থিতি ছিল। আলোচনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ গ্যাস ও কয়লার অনুসন্ধান জোরদার করার সাথে সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বলে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. সাবেত আলী। তিনি ঘোষণা করেন সেমিনারে উত্থাপিত সুপারিশমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানি নীতি আরো দৃঢ় করার আশা রয়েছে।
স্মার্ট জ্বালানি ব্যবস্থার উদ্দেশ্য
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎসের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির সমন্বয়ে একটি যুগোপযোগী মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করতে হবে বলে কারিগরি সেশনে আলোচনা হয়।
সেমিনারের সমাপনী বক্তব্যে অনুসন্ধান ও গবেষণার ক্ষেত্রে একাডেমিক এবং ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করা হয়। সরকারকে হস্তান্তর করা হয় স্মার্ট জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব।
প্রতিভাগীদের অংশগ্রহণ
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এর বিশেষজ্ঞ শিক্ষকরা।