দেড় মাসেও মেলেনি অপহৃত স্কুলছাত্রীর খোঁজ | সংবাদ
অপহরণ ঘটনার পর থেকে পরিবার হতাশায় আবদ্ধ
দ ড় ম স ও ম ল – গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার শিমুলতাড়ি গ্রামে দশম শ্রেণীর শেখ ফাহমিদা আকতার (১৬) অপহৃত হওয়া ঘটনার দেড় মাস হয়ে গেলেও তার সঠিক অবস্থান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই অপহৃত স্কুলছাত্রীর খোঁজ দেড় মাসেও মেলেনি কারণে তার পরিবার গভীর হতাশা ও আশঙ্কার মধ্যে আবদ্ধ। তারা অভিযোগ জানায় যে পুলিশের গাফিলতি ও কার্যনিরততা কারণে তার বেঁচে আছে কিনা তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে আসছে। দেড় মাসেও মেলেনি কারণে পরিবার দাবি করছে যে তাদের জীবন সংকটে আবদ্ধ হয়ে আছে।
অপহৃত স্কুলছাত্রী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত চাপ পড়ছে
গত ২৮ মে সন্ধ্যায় ফাহমিদা নানার বাড়িতে যাওয়ার পথে সুখানদিঘী-বাদিয়াখালী সড়ক থেকে মো. লিখন মিয়া (২৫) ও তার সহযোগীদের দ্বারা তিনি জোরপূর্বক অটোবাইকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দেড় মাসেও মেলেনি কারণে পরিবার অভিযোগ করে যে তাদের আর কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনার পর থেকে তারা একটি বিশেষ গুরুত্ব সহ সারাদিন জুড়ে খোঁজ চালাচ্ছে। অতএব, দেড় মাসেও মেলেনি কারণে তাদের আতঙ্কিত হয়ে আছে।
পুলিশের কাজে সংকট ও অসম্ভাব্য অবস্থা
সদর থানায় গত ৩০ মে মামলা করা হয় এবং তার নামে আসামি হয়েছে পাঁচ জনকে। দেড় মাসেও মেলেনি কারণে কার্যনিরততার অভিযোগ চালিয়ে আছে পরিবার। তারা বলছেন যে মামলার পর আসামিদের খুনের হুমকি দিচ্ছে বলে তারা ভীত হয়ে আছে। তবে পুলিশ নিয়ে দেড় মাসেও মেলেনি কারণে তারা সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রদর্শন করছেন।
‘দেড় মাস হয়ে গেল, আমার মেয়ের কোনো খোঁজ নেই। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছি,’ রুবি বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে খোঁজ বার করা চালিয়ে আছে পুলিশ
গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে জানান, ভিকটিম মোবাইল ফোন ব্যবহার করেনি বলে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তার সঠিক অবস্থান খুঁজে বার করা কঠিন হচ্ছে। দেড় মাসেও মেলেনি কারণে তিনি জানান যে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও সঠিক প্রমাণ না পেলে তারা আরও খোঁজ চালাচ্ছে।
পরিবারের আবেদন ও সমাজের চিন্তা
গত ২ জুন রুবি বেগম সহ পরিবারের পাঁচ জনের নামে একটি পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়। দেড় মাসেও �