Bangladesh

নিখোঁজের ২ দিন পর মিলল ব্যবসায়ীর লাশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মিলল ব্যবসায়ীর লাশ ন খ জ র ২ দ ন - ফরিদপুরের মমিনখার হাট এলাকায় নিখোঁজ ছিলেন ইউসুফ ফকির (৪৫) নামের ব্যবসায়ী। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)

Desk Bangladesh
Published July 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নিখোঁজের ২ দিন পর মিলল ব্যবসায়ীর লাশ

ন খ জ র ২ দ ন – ফরিদপুরের মমিনখার হাট এলাকায় নিখোঁজ ছিলেন ইউসুফ ফকির (৪৫) নামের ব্যবসায়ী। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে তিনি অটোরিকশায় চড়ে বাড়ি ফেরার জন্য রওনা হন। সেই দিন থেকেই তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের একটি পাটক্ষেতে তার হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পর তাদের কাছে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ আঁকড়ে তুলে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এখানে চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিখোঁজের কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ

নিহত ইউসুফ ফকির পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। তার পরিবার বলেন, তিনি সোমবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হন। সেই সময় তার সাথে কোনো আত্মীয় বা পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন না। খোঁজা খুঁজা করা হলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর থেকে তার মাতুর ও বোন প্রায় দুই দিন পর মৃতদেহের খোঁজ পায়। খোঁজা খুঁজা করার সময় স্থানীয় সংস্থাগুলো থেকে আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন প্রান্তে তদন্ত চালানো হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, তদন্ত প্রস্তুত করছে কিন্তু হত্যাকাণ্ড কিনা তা নির্ণয়ের জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

বিস্মিত করে মৃতদেহের অবস্থা

উদ্ধার করা মৃতদেহের অবস্থা স্থানীয়দের বিস্মিত করেছে। পাটক্ষেতে মৃত ইউসুফ ফকির হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পুলিশ তার সাথে কোনো অস্ত্র বা আঘাতের চিহ্ন পায়। অনুমান করা হচ্ছে তিনি সম্ভবত গৃহ বিপর্যয় বা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তার পরিবারের এক সদস্য বলেন, নিখোঁজ ছিলেন যখন তিনি কোনো মনোমুগ্ধতা বা প্রতিবেদন ছাড়া রওনা হন। তবে কেউ কেউ মনে করেন তিনি কিছু চাপে জড়ানো ছিলেন।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, নিখোঁজের দুই দিন পর মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির মৃতদেহ এলাকার সাথে সম্পর্কিত কোনো ব্যক্তির কাছে সন্ধান পেয়া হয়নি। পুলিশ তদন্ত করছে যে তিনি কী কারণে নিখোঁজ হন। এ ঘটনার পর থেকে তার পরিবার ভাবছেন ব্যক্তি মারা গেছেন।

“ময়নাতদন্তে নিহতের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছি। হত্যাকাণ্ড কিনা তা নির্ভর করবে বিশেষজ্ঞদের তদন্তে।” – ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান

নিহত ইউসুফ ফকির ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি স্থানীয় এলাকায় মুখ্য পণ্য বিক্রি করত

Leave a Comment