তৃণমূল ভাঙনে বিস্ফোরণ!
ত ণম ল ভ ঙন ব স – পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবেশে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন এখন আরও বিস্তার লাভ করছে। দলের মধ্যে প্রায় ২০ জন সাংসদের নতুন করে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন নিয়ে চলছে আলোচনা। হাওড়ার হাটগাছা-বনিপুর এলাকায় এনসিপিআই কার্যালয়ের চারপাশে স্থানীয় সূত্রে খবর এসেছে যে স্থানটি আগে একটি এনজিওর কার্যক্ষেত্র ছিল। বর্তমানে এই সংগঠনটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যার কারণে এলাকায় তৈরি হয়েছে আগ্রহ ও উত্তেজনা।
বিদ্রোহীদের যোগদানের খবর প্রকাশ পেয়েছে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। হাওড়া স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে কার্যালয়ের চত্বরে রাজনৈতিক কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনে আশঙ্কা রয়েছে যে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। সেই কারণে প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সুরক্ষা বাহিনীকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দলের সাধারণ সম্পাদক শান্তনু দে এখন তাঁর অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। তিনি আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন যে সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি বিদ্রোহীদের যোগদানকে স্বাগত জানানোর প্রস্তাব দিয়েছেন।
“আমি ২০২৩ সালের পর থেকে দলের কোনও পদে নেই। তবে বর্তমানে এনসিপিআই-এর মধ্যে অনেক আগ্রহ দেখা গেছে।” শিউলি কুন্ডে এই বিষয়ে বলেন।
পরিস্থিতি দেখে প্রশাসন তৎপর হয়েছে। সম্ভাব্য রাজনৈতিক জমায়েত বা অশান্তি ঘটার আশঙ্কা থেকে সতর্কতার পরিচয় দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দিক থেকে এই ঘটনার গুরুত্ব বেশি। অনেক সাংসদের বিদ্রোহের কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমস্যার স্পর্শ করছে অপ্রতুল হালচাল।
বিজেপি নেতা ঝাঁবহফঁ অফযরশধৎর জানিয়েছেন যে তৃণমূলের এই সংকট তাঁদের প্রতিবেশী সমস্যা নয়। এদিকে এনসিপিআই-কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ দেখা গেছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনার সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক পরিবর্তনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।