চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
ঘটনার প্রতিক্রিয়া এবং প্রকৃত পরিস্থিতি
চ ন র ঘ ট ব দ – চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু একটি দুঃখজনক ঘটনা যা মানুষের মনে ভারী আঘাত ছাড়িয়ে দিয়েছে। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার দিয়াগাঁও গ্রামে রোববার (৭ জুন) সকালে এক স্কুলছাত্রী তাইবা আক্তার এক সামান্য ঝুঁকির ফলে বিদ্যুতের তারের সাথে জড়িয়ে পড়ে মৃত্যুর পরিণতি ঘটে। তিনি তার বাবার পোলট্রি মুরগির খামারে যাওয়ার সময় অসাবধানতার কারণে সেখানে থাকা বিদ্যুত তারের সংস্পর্শে আসে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের পরীক্ষার পর তাইবাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে সামগ্রিক চিন্তা জাগে।
চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া স্থানীয় বাসিনদের মধ্যে উদ্রেট হয়েছে। তাইবা রুবেল মিয়ার মেয়ে ছিলেন এবং চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘটার সময় তার বয়স প্রায় চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। তাইবার বাবা রুবেল মিয়া নিজে প্রতিবেদন দেখানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু একটি স্থানীয় ঘটনা যা আমাদের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
অনুসন্ধান ও সেনাদের প্রতিক্রিয়া
চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘটার পর চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই ঘটনার কারণ খুঁজে বার করার জন্য তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাইবার মৃত্যুর পর চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে স্থানীয় সরকার এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিক্রিয়া ঘটেছে। তাইবা ছিলেন স্থানীয় এ জে ডি টি মডেল একাডেমি অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী। তার মৃত্যু পরিবারে একটি প্রাণহারা চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘটার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
চুনারুঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘটার ঘটনার পর এলাকার মানুষ দু�