খেলার মাধ্যমে শেখা: শ্রেণীকক্ষে প্রাণ ফেরানোর কৌশল
খ ল র ম ধ যম শ – গ্রামীণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি সাধারণ দৃশ্য চিত্রিত হয়েছে— শিক্ষক বোর্ডে লিখছেন, শিক্ষার্থীরা নোট করছে, আর ঘড়ির কাঁটা ধীরে ধীরে এগিয়ে চলছে। পড়ানো হচ্ছে, কিন্তু শেখা হচ্ছে কি? গবেষণার তথ্য অনুযায়ী শিশু ও কিশোরদের প্রতিটি বিষয় খেলার সাহায্যে বেশি ভালোভাবে শিখতে হয়। তথ্য তাদের মস্তিষ্কে গভীর দিয়ে জড়িত হয়ে যায়।
খেলার মাধ্যমে শেখার পদ্ধতি একটি বিশেষ কৌশল। এটি শিক্ষার্থীদের কৌতূহল জাগিয়ে দেয়, চিন্তার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শ্রেণীকক্ষকে জীবন্ত শিক্ষা পরিবেশে পরিণত করে। গ্রামীণ বিদ্যালয়ে প্রযুক্তিগত সুবিধা সীমিত হলেও এই পদ্ধতিগুলো অতিরিক্ত খরচ ছাড়া প্রয়োগ করা যায়। নিচে এমন ১০টি পদ্ধতি দেখুন যা গ্রামীণ শ্রেণীক্ষে সহজে প্রয়োগ করা সম্ভব।
১. সম্মুখো বাক্তিগুলো স্বীকৃতি পেলো
শিক্ষার্থীদের নিজেদের জ্ঞান ব্যবহার করতে হয় যখন তারা আলোচনায় অংশ নেয়। স্বতঃস্ফূর্তভাবে উত্তর দেয়া সম্ভব হয় এমন কৌশল প্রয়োগ করা হয়। একটি প্রশ্ন করার পর যে কেউ উত্তর দিতে পারে— কেউ বোধ হয় তার হাত তুলে দেয়।
শিক্ষক বললেন, ‘সালোকসংশ্লেষণে কী কী লাগে— যে জানো বলো!’ রিমা বলল, ‘সূর্যের আলো’, তারপর সে বলল, ‘করিম, তুমি বলো আরেকটি।’ করিম বললো, ‘পানি’, এবং এভাবে পুরো ক্লাস সক্রিয় হয়ে উঠলো।
২. কাগজ ছুঁড়ে মতামত প্রকাশ করা
প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজে কাগজে মতামত লিখে তা ছুঁড়ে দেয়। প্রতিটি দল প্রতিটি প্রশ্নকার্ডের কাছে যায়, পড়ে, মত যোগ করে এবং পরের দলের জন্য ছেড়ে যায়। এটি শিক্ষা পরিবেশে বিনামূল্যে প্রয়োগ করা যায়— শুধু কয়েকটি কাগজ ও কলম দরকার।
সামাজিক বিজ্ঞান ক্লাসে পাঁচটি কাগজে লেখা হলো— ‘বন্যার কারণ’, ‘বন্যার ক্ষতি’, ‘বন্যা প্রতিরোধ’, ‘সরকারের ভূমিকা’, ‘আমাদের করণীয়’। প্রতিটি দল একটি করে পয়েন্ট যোগ করে এগিয়ে গেল। ক্লাস শেষে পুরো বিষয়টি একটি সমৃদ্ধ মানচিত্রে পরিণত হলো।
৩. সূচনা-আলোচনা-সংগ্রহ পদ্ধতি
অনুশীলন করার পর পাশের সহপাঠীর সঙ্গে আলোচনা করে তারপর পুরো ক্লাসে ধারণা শেয়ার করে। এভাবে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজেকে কথার সুযোগে গুরুত্বপূর্ণ উত্তর দিতে সক্ষম হয়।
গণিত ক্লাসে শিক্ষক বললেন, ‘লাভ-ক্ষতির সমস্যাটি নিজে একবার চেষ্টা করো।’ তারপর ‘পাশের জনকে তোমার সমাধান বুঝিয়ে দাও।’ সবশেষে দুটো জুটির সমাধান তুলনা করা হলো। ভুল �