কালীগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরির চেষ্টা ব্যর্থ, আলামত ফেলে পালাল চোর
ক ল গঞ জ ট র ন – গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া ইউনিয়নে গভীর নলকূপের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের উপর চুরির চেষ্টা সফল হয়নি। চোরদের ধাওয়া করে ঘটনাস্থলে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, মানিব্যাগ এবং চুরির সরঞ্জাম ফেলে পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের খুঁজতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ৩ টার দিকে আজমতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
যে আলামত ছেড়ে চোরদের সনাক্ত করা গেছে, তার মধ্যে রয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, টর্চলাইট, গেঞ্জি, প্লাস্টিকের স্যান্ডেল ও বাঁশ। পাশাপাশি সিগারেটের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের রশি পড়ে থাকে। এগুলো দেখে অঞ্চলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।
অনুসন্ধান করে জানা গেছে যে আজমতপুর মৌলভীবাড়ি গভীর নলকূপের আওতায় সেচ দেওয়ার জন্য মোট ৩টি ট্রান্সফরমার রয়েছে। কয়েক দিন আগে একটি ট্রান্সফরমারের কয়েল চুরি হয়ে গেলে কৃষকদের নিজেদের পালাক্রমে রাত জেগে পাহারা দিতে হয়। সেচ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে চোরদের সম্মুখীন হতে হয়।
“রাত ৩ টার দিকে ট্রান্সফরমারের কাছে দুই জনকে সন্দেহজনকভাবে ঘুরতে দেখি। চিৎকার দিয়ে তাদের ধাওয়া করলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে চুরির সরঞ্জাম ও মানিব্যাগ পড়ে থাকে।” বলেন গভীর নলকূপের চালক আবু তৈয়ব আখন্দ।
স্থানীয় কৃষক আনিসুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম বলেন, দিনের কৃষিকাজ এবং রাতের পাহারা দেওয়া তাদের জন্য অসহ্য হয়ে পড়েছে। ঝড়-বৃষ্টির রাতে চোরদের বাধা দিতে গিয়ে তাদের জীবনের ঝুঁকিও নিতে হচ্ছে। তারা দাবি জানায় যে বর্ষা মৌসুমে ট্রান্সফরমার খুলে পল্লী বিদ্যুতের হেফাজতে রাখা যাবে।
পল্লী বিদ্যুৎ কালীগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কোনো গ্রাহক চাইলে বর্ষা মৌসুমে ট্রান্সফরমার খুলে পল্লী বিদ্যুতের হেফাজতে রাখতে পারেন। আবেদন করলে পরবর্তী সময়ে তা আবার স্থাপন করে দেওয়া হবে।