চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ফেরি ‘কুঞ্জলতা’
চ লম র নদ বন দর থ – চিলমারী নদীবন্দর থেকে ফেরি সেবা বিচ্ছিন্ন করে তুলা হয়েছে মাঝারি পরিবহন প্রতিষ্ঠান বিআইডব্লিউটিসির মূল নৌপথ চালানোর জন্য ফেরি ‘কুঞ্জলতা’ এর মেরামতের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ফেরি পরিচালকদের কাছে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই পরিবর্তনে নৌপথে পারাপারের জন্য এখন একটিমাত্র ফেরি চলছে যেহেতু কেবল ‘কদম’ ফেরি এখন সচল থাকছে। ফেরি সংখ্যা কমে যাওয়ায় ঘাটে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হয়ে গেছে এবং অপেক্ষার সময় প্রতিদিন বেড়ে চলছে।
মেরামতের প্রক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া
বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী ফেরিঘাটের ইনচার্জ মো. আকিব সোহেল আকাশ জানান, “আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কুঞ্জলতা ফেরিটি ডকইয়ার্ডের উদ্দেশ্যে চিলমারী থেকে পার্শ্ব ছেড়ে যাচ্ছে। ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পৌঁছানোর পর আমরা বিকল্প ফেরির জন্য আবেদন করব। এখন একটি ফেরি দিয়ে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।” এই পরিবর্তন পরিচালনার কারণ হিসেবে বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, কুঞ্জলতা ফেরির সার্ভে সনদ ও ডকিং মেরামতের জন্য গতকাল সোমবার প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়াউল ইসলাম এক চিঠিতে নির্দেশনা দেন। এই মেরামত কাজ শেষ হতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগতে পারে, যেখানে দীর্ঘ সময় ধরে নৌপথের সেবা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ করে চিলমারী নদীবন্দর সংলগ্ন ক্ষেত্রগুলি প্রভাবিত হয়েছে।
সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসা ট্রাকচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগেও ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এখন একটি ফেরি চলে যাওয়ায় অপেক্ষার সময় আরও বাড়বে। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।” এই সমস্যা প্রতিদিন হাজার যাত্রী এবং সামগ্রিক যানবাহন পরিবহন এর ক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিনদের কাছে গুরুতর অসুবিধা সৃষ্টি করছে। চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ফেরি কুঞ্জলতা কারণ এটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় সময় প্রদান করতে পারে না।
বিপাকে পড়া যাত্রীদের অবস্থা
বিআইডব্লিউটিসি নৌপথে পারাপার করার সময় প্রতিদিন ঘটনার সারি বাড়ছে। চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ফেরি কুঞ্জলতা এবং এই ফেরির বিকল্প জন্য প্রয়োজন হয়েছে আরও একটি সমাধান। যাত্রীদের জন্য অপেক্ষার সময় বেড়ে প্রতিদিন ব