সাঁথিয়ায় বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ৪
স থ য় য় ব এনপ সমর – সাঁথিয়ায় বিএনপি সমর্থকদের বাড়ি ও দোকানে হামলা ও লুটপাট ঘটেছে, যার ফলে কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের সামনে মানববন্ধন করেন। এ ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২২ মে) রাতে পাবনার সাঁথিয়ায় উপজেলার নাগডেমড়া ইউনিয়নের পাথাইল হাট এলাকায়। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা এই অঞ্চলে চলমান রাজনৈতিক বিরোধের সংকেত দিচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে পাথাইল হাটে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ বাড়ছিল। এ বিরোধের প্রতিকারে গত মার্চ মাসে জামায়াত সমর্থকদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের হয়। সম্প্রতি মামলার আসামিরা জামিন পেয়ে বাদী ও তাদের পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিল। এর ফলে বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়েছে, যা আরও গুরুতর হয়েছে।
হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মানববন্ধন
স্থানীয় বাসিন্দারা হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মানববন্ধন করেছেন। ঘটনার স্থানে গুরুতর আহত কর্মকর্তারা সামনে এসে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ অবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, যারা এ হামলাকে রাজনৈতিক দল বিরোধের নিদর্শন বিবেচনা করেন।
হামলায় নারী ও শিশুদের সহ আহত হয়েছেন। এ হামলায় দোকান থেকে বিকাশের নগদ দুই লাখ টাকাসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সাধারণ মানুষ বিএনপি সমর্থকদের প্রতি আপত্তি প্রকাশ করেছেন।
ইউনিয়ন যুবদলের নেতা অভিযোগ করেন
স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে জামায়াত সমর্থকরা এসব অপকর্ম করছেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন যুবদলের নেতা বলেন, বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা এখন পর্যন্ত কোন কমিশনের তদন্তের অবিলম্বে ঘটেছে।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইউনিয়ন যুবদলের নেতারা বিএনপি সমর্থকদের প্রতি হামলা বিরোধিতা করেছেন। তারা বলেন, এই হামলায় বিএনপি সমর্থকদের কোনও দল নিয়ন্ত্রণে আসছে না, কিন্তু পরিস্থিতি আরও কোটালী হয়ে চলছে। এখন পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করেছেন চার ব্যক্তিকে, যারা বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘর লুটপাটে জড়িত ছিল।
তদন্ত সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার স্থানে জামায়াত সমর্থকরা নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন এবং সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, হামলায় সাতটি বাড়ি ও তিনটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিরা হামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
আরও তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে হামলাকারীদের মধ্যে সামাজিক �