পিলারের ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রলোভনে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে ঘটে আত্মহত্যার ঘটনা
প ল র র ল ভ ক – পটুয়াখালী জেলার দুমকি ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক মাদ্রাসা শিক্ষক আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যার কারণ হিসেবে তিনি পিলারের লোভে কোটি কোটি টাকা হারিয়েছিলেন বলে দাবি করেন। শিক্ষকের মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিরকুট লিখে গেছেন যেখানে তার মৃত্যুর দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি উত্তম কুমার ওরফে উত্তম বাবুকে আটকে দেওয়া হয়েছে। তিনি কোটি টাকার পিলারে বিনিয়োগ করে দারিদ্র হয়েছেন বলে ব্যক্তি করেছেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী তিনি প্রায় শতাধিক পরিবারের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
বিস্তারিত ঘটনা
পিলারের লোভ দেখিয়ে অভিযোগ উঠেছে যে উত্তম বাবু দুমকি ইউনিয়নের ব্রিটিশ আমলের সীমানা পিলারে দারিদ্র প্রাপ্ত ব্যক্তিদের ধোঁকার চেষ্টা করেছেন। কেউ ২ লাখ, কেউ ৫ লাখ আবার কেউ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খুইয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে রয়েছেন বলে তথ্য প্রাপ্ত হয়েছে। এই পিলারের ব্যবসায় অনেক মানুষ নিজেদের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন। শিক্ষকের কন্যা সূত্রে জানা যাচ্ছে যে পিলারের লোভ দেখিয়ে উত্তম বাবু কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আত্মহত্যার ঘটনার পর তাঁর বিরুদ্ধে সামগ্রিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
পিলারের লোভে হারানো অর্থ ও বিতর্ক
পিলারের লোভ দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হারানো ঘটনা প্রথম দিকে কেবল একটি ছোট বিষয় বলে মনে করা হত। কিন্তু শিক্ষকের আত্মহত্যার পর এটি একটি বিস্ময়কর ঘটনা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ব্যবসায়িক মুনাফার লোভ দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের মাধ্যমে পিলারের ব্যবসায় সম্পর্কে আরও প্রশংসা ঘটনা ঘটছে। উত্তম বাবু এই পিলারে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহে সফল হন।
অভিযুক্তের মুখোমুখি হওয়া
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দিন জানান, আত্মহত্যার শিক্ষকের মেয়ে বাদী হয়ে উত্তম বাবুকে প্রধান আ