‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ টিটন হত্যা: খুনিরা ডিবি পুলিশের ‘ছকের’ মধ্যে | সংবাদ
তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাস ঘটেছে
শ র ষ সন ত র স – ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ দাবি করেছে যে নিউ মার্কেট এলাকায় ঘটে গেল টিটন হত্যার রহস্য উন্মোচনে বড় ধরনের অগ্রগতি রয়েছে। তদন্তের ক্ষেত্রে কোনো শিথিলতা নেই এবং আরো কাছাকাছি পৌঁছেছে অপরাধীদের খুঁজতে পুলিশ। যদিও গত ২৮ এপ্রিল রাতে দুই মোটরসাইকেল আরোহী টিটনকে গুলি করে পালিয়েছিল খুনিরা, তবুও আজ পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
“আমরা এটা নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে চেষ্টা করছি। গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত ৫৬৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
টিটন হত্যার পটভূমি
নিহত খন্দকার নাঈম আহমেদ ছিলেন ২০০১ সালে ঘোষিত ২৩ জন সন্ত্রাসীর একজন। তিনি সানজিদুল ইসলাম ইমনের ভগ্নিপতি এবং মোহাম্মদপুরের হারিছ-জোসেফ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁকে আঘাত করে পালিয়েছিল দুই মোটরসাইকেল আরোহী যারা মাস্ক পরা ছিল।
ডাকাতি চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার
যাত্রাবাড়ী এলাকায় ডাকাতি প্রস্তুতির সময় ডিবি পুলিশ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। গৃহীত আসামীদের মধ্যে রয়েছে লিটন জব্বার, ইসমাইল হোসেন মামুন, বাবুল বাবু, আইয়ুব ভূইয়া ও রোমান। তাদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের প্রস্তুত করছিল ঈদুল আজহার সামনে রেখে বিকাশ ও নগদের বড় অঙ্কের টাকা ছিনতাই। তিনি তালিকাভুক্ত ১৫৪ জন চাঁদাবাজ ও তাদের ১৩২ জন সহযোগীর প্রতি জোরদার প্রতিবেদন দিয়েছেন।
পুলিশের সংগ্রাম আগামী পর্যায়ে
পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ঢাকার পাশাপাশি পুরো দেশকে অপরাধমুক্ত করতে চাই