News

মাটির ঘরে মেলে শান্তির পরশ

মাটির ঘরে মেলে শান্তির পরশ ঐতিহ্যের অপরোহণ ম ট র ঘর ম ল শ - নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় আধুনিক বাড়ি গুলির ভিড়ে মাটির ঘরগুলি ক্রমে কমে আসছে। তবে স্থানীয় মানুষ

Desk News
Published June 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মাটির ঘরে মেলে শান্তির পরশ

ঐতিহ্যের অপরোহণ

ম ট র ঘর ম ল শ – নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় আধুনিক বাড়ি গুলির ভিড়ে মাটির ঘরগুলি ক্রমে কমে আসছে। তবে স্থানীয় মানুষ এগুলি চিরায়ত স্থাপত্যের সাক্ষী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রেখেছেন। দেখা গেছে যে এই কোঠাঘরগুলি প্রায় ৫০ শতাংশ জায়গায় অবিচ্ছিন্ন ভাবে বিদ্যমান।

প্রাকৃতিক অট্টালিকা

এই ঘরগুলির দেয়াল খুব চওড়া হয় আড়াই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত। তারা কাদা-মাটি ও ধানের তুষ সহ চুন আর কাঠের তক্তা দিয়ে গঠিত। খোদাই করা কারুকাজ এবং ছোট ছোট কুঠুরি ঘরগুলি আলোকিত করে তোলে বিশেষ মূল্যবান দৃষ্টিনন্দন মূল্য।

“মাটির ঘরে থেকে যে আরাম পাওয়া যায়, তা এখনকার ইটের দালানে পাওয়া অসম্ভব। আমরা মাটির মানুষ, তাই মাটির ঘরেই সবচেয়ে বেশি শান্তি পাই।”

— খাগৈর গ্রামের শিক্ষক নিরঞ্জন দাস

বাণিজ্যিক উন্নয়ন

প্রবাসীদের পাঠানো টাকার কারণে গ্রামে গ্রামে পাকা দালান গড়ে ওঠায় মাটির ঘরগুলি ধীরে ধীরে আরও কমে আসছে। তবে বাঙালি ঐতিহ্য সম্পর্কে কথা বলার সময় কেউ কেউ বলছেন যে এগুলি পরিবেশ বান্ধব এবং প্রকৃতি নির্ভর।

“মাটির ঘর হলো পরিবেশবান্ধব এবং প্রকৃতিনির্ভর। প্রচণ্ড গরমেও এখানে ফ্যান ছাড়াই থাকা যায়।”

— কুড়াইতলীর সমাজসেবক অপু সেন

প্রাচীন মূল্যবান সম্পত্তি

স্থানীয় বৃদ্ধরা জানাচ্ছেন যে একসময় যার বাড়িতে মাটির ঘর ছিল, তাদের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হতো। প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নকশা বাড়ানো শুরু হওয়ায় এই ধরনের ঘরগুলি ক্রমে সংখ্যা কমছে।

পরিবর্তনের চাপ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় কেউ কেউ মাটির দেয়াল রেখে চারপাশে পাকা বারান্দা গঠন করেছেন। টিনের ছাউনি পরিবর্তে পাকা নকশা ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এগুলি হালকা বাতাস দিয়ে প্রশান্তি নিশ্চিত করে যেত।

পরিবারের ভবিষ্যতের আশঙ্কা

সানের বাড়ির বাসিন্দা সুজন দত্ত বলেন, আগামী প্রজন্মের কাছে এই ঘরগুলি রূপকথার মতো মনে হতে পারে। গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে মাটির ঘরগুলি টিকিয়ে রাখা জরুরি।

Leave a Comment