সাত জেলার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে
স ত জ ল য় ব এসএফ – ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সাতটি জেলার সীমান্ত এলাকায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শতাধিক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে। এই চেষ্টা গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোর থেকে শনিবার (৬ জুন) ভোররাত পর্যন্ত চলে। তবে বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী বিজিবির সতর্কতা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধে সব পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
৪ জুন ভোরে গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ২৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি ও গ্রামবাসীদের প্রতিরোধে তারা শূন্যরেখায় থাকতে বাধ্য হয়। দুই দফায় পতাকা বৈঠকের পর শনিবার বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নেয়।
নওগাঁ
৫ জুন সকালে সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা চালায়। বিজিবি কঠোর অবস্থানে তাদের রাত পর্যন্ত শূন্যরেখায় আটকে রাখে। ফলে তারা ভারতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি।
লালমনিরহাট
৫ জুন ভোরে হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার পাঁচটি সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দার প্রতিরোধে তারা শূন্যরেখায় থাকে। রাতে বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নেয়।
মেহেরপুর
৬ জুন ভোরে গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ছয়জনকে পুশইনের চেষ্টা করে। কিন্তু বিজিবি ও গ্রামবাসীদের সামনে তারা ঢুকতে পারেনি।
পঞ্চগড়
৫ জুন ভোরে দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি তাদের বাধা দেওয়ায় তারা ভারতে ঢুকতে সক্ষম হয়নি। বাহিনীর পক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও
৬ জুন ভোরে হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্ত দিয়ে শিশুসহ আরও একজনকে বিএসএফ পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।