News

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার কী আছে: হাইকোর্ট | সংবাদ

ধাজ্ঞার কী আছে: হাইকোর্ট | সংবাদ হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির মধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন আদালত ড ইউন স র দ শত য - মঙ্গলবার (১৯ মে) বিচারপতি দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট

Desk News
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার কী আছে: হাইকোর্ট | সংবাদ

হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির মধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন আদালত

ড ইউন স র দ শত য – মঙ্গলবার (১৯ মে) বিচারপতি দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়েছে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ২৪ জন উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রিট আবেদন। আদালত মন্তব্য করেছেন যে ড. ইউনূস দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন না, তাই তার বা অন্য উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজনীয়তা কোথায় তা আদালত বিবেচনা করছেন। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি সমূহ ক্ষমতার ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং তদন্ত চালু করেন।

“ড. মুহাম্মদ ইউনূস তো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন না। তাহলে তার বা অন্য উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কোথায়?”

এই প্রশ্ন আদালতের অনুমানের মধ্যে অনুপস্থিত হয়েছিল। আদালত বিবেচনা করেছেন যে নিষেধাজ্ঞা কেবল একটি প্রক্রিয়া নয়, বরং ব্যক্তির স্বাধীনতা বিষয়ে আবেদন করা হয়েছে। বিচারপতি সমূহ বলেন যে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজনীয়তা তদন্ত করা প্রয়োজন এবং কেবল শুধু আইন প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা বিচারপতির কাছে প্রমাণ প্রস্তুত করা আবশ্যক।

বর্তমানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এই মুহূর্তে ড. ইউনূসের দেশে ব্যবসা এবং প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি পালিয়ে যাওয়ার মতো ব্যক্তি নন। ফলে এই নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতা আদালত দেখছেন না। সাবেক সরকারের ব্যক্তিদের স্বাধীনতার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছিল।

টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে রিট আবেদন

গত ১৭ মে হাইকোর্টে ড. ইউনূস সহ সাবেক সরকারের ব্যক্তিদের টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘ফৌজদারি অবহেলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে রিট আবেদন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম পেশ করেন আবেদনটি। এতে ড. ইউনূস এবং অন্যান্য উপদেষ্টাদের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। আদালত আবেদনের প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বিশদ আলোচনা করেন।

রিট আবেদনের বিষয়বস্তু এবং প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনার পর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আদালত নাকচ করেন। তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে দেওয়া হয়। এই নিষেধাজ্ঞা কেবল ব্যবসা প্রসার বা ব্যক্তিগত চাহিদা বরণ করে না বলে আদালত মনে করেছেন। ড. ইউনূসের ভূমিকা আইনি আলোচনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

আদালত এই মুহূর্তে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতা পরিমাপ করেছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠান গুলি স্বাধীনতা বিষয়ে সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক নয় বলে তারা বিবেচনা করেছেন। ফলে আবেদনকারীদের আবেদনের প্রয়োজনীয়তা আদালত দেখছেন না। ড. �

Leave a Comment