News

হাম ও উপসর্গে ঝরলো আরও ১১ প্রাণ, মোট মৃত্যু ৪৭৫

হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশু মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জন মৃত হ ম ও উপসর গ ঝরল আরও - প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশু মৃত

Desk News
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশু মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জন মৃত

হ ম ও উপসর গ ঝরল আরও – প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশু মৃত হয়েছে। এ হিসাবে হাম রোগের মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৭৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য মঙ্গলবার (১৯ মে) ঘোষণা করে।

এই হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মৃত হয়েছেন ২ জন, আর উপসর্গ নিয়ে মৃত হয়েছেন ৯ শিশু। মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।

সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মূলত শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুষ্টিহীনতা, অপুষ্টি ও সচেতনতার অভাব মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে। অধিকাংশ মৃত্যু ঘটছে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের এবং টিকা প্রাপ্ত হয়নি তাদের মধ্যে।

টিকার আওতার বাইরে থাকা অঞ্চলগুলোতে রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এ কারণে সরকার আরও জোরদার করেছে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি। হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়ার জন্য সব সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশেষ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া সরকার আক্রান্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ি টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। মুক্তিযোগ্য হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রবীণ হাসপাতালগুলোতেও হামের রোগীদের ভর্তি করা হয়েছে বাধ্যতামূলক ভাবে।

অভিভাবকদের সন্তানদের টিকার কার্ড পরীক্ষা করতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উল্লেখ করেছে যে ৯ ও ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া অপরিহার্য। যদি কোনো শিশুতে জ্বর, সর্দি, কাশি বা গায়ে লাল ফুসকুড়ি দেখা দেয়, তবে তাকে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।

গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় রোগের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। প্রথমে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পর তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত মোট সংখ্যা গত মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ৫৮ হাজার ৩১১ জন পৌঁছেছে। যার মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১০৬ জন, সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ২০৫ জন।

Leave a Comment