ফ্ল্যাটবাড়িতে শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে
ফ ল য টব ড় ত ৭ – ফ্ল্যাটবাড়িতে সাত বছরের একটি শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় ঘটেছে এই ভয়াবহ ঘটনা। নিহত শিশুর নাম লামিসা। তাঁর পিতা আব্দুল হান্নান মোল্লার বাসায় হত্যা ঘটেছে সেকশন-১১, ব্লক-বি এর ৭ নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর বাসায়। অভিযোগ উঠেছে যে হত্যার দায়িত্ব পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল (৩২) নামক ব্যক্তির উপর পড়েছে। ঘটনার মুহূর্তে শিশুটি তার বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গেছে।
হত্যার অবিচ্ছেদন প্রমাণ
তদন্তকারী কর্মকর্তারা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছেন। পুলিশ জানায় নিহত লামিসার মাথা তার ঘাড় থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে। ফ্ল্যাটবাড়িতে ঘটেছে এই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে হত্যার ঘটনার পর থেকে পল্লবী থানার পুলিশ অভিযুক্তকে খুঁজছেন। ফ্ল্যাটবাড়িতে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে এবং নানা প্রশ্ন উঠেছে।
হত্যার পেছনে কী মোটিভ?
পুলিশ এবং তদন্ত বিভাগ ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছেন। এ বিষয়ে স্থানীয়রা আশঙ্কা জন্ম দিয়েছে যে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ফ্ল্যাটবাড়িতে পুলিশ অভিযোগ গৃহীত হয়েছে সোহেলের বিরুদ্ধে। তদন্তে উঠেছে সোহেল কেন লামিসাকে নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে হত্যা করতে চাইলেন। অনেকে ভাবছেন যে ফ্ল্যাটবাড়িতে অপরাধ সংক্রান্ত কোন তারতম্য ছিল।
পল্লবী থানার পরিদর্শক এমদাদুল হক জানান যে হত্যার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঘটনার আলামত সংগ্রহের জন্য সিআইডি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ময়নাতদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এটি ফ্ল্যাটবাড়িতে ঘটেছে প্রথম ধরনের হত্যার চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন যে ফ্ল্যাটবাড়িতে ঘটনার ভয়াবহতা এতটাই বেশি ছিল যে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য পুলিশ এখনও চাচ্ছেন। এই ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বলা হচ্ছে যে ফ্ল্যাটবাড়িতে কোন তীব্র বিতর্ক ছিল কিনা তা অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত চালু রয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেপ্তারে জোরদার অভিযান চলছে।
এই হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অভিযুক্ত সোহেলের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ফ্ল্যাটবাড়িতে ঘটেছে এই নৃশংস হত্যা পরিদর্শনের জন্য আরও কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশ জানায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিষ্ঠুরতার স্তরে প্রমাণ সংগ্রহ করছেন। �