হাইকোর্ট এফআইআর প্রত্যাহারের অবৈধতা নিয়ে রুল জারি
একব র এফআইআর হয় গ ল স – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংযুক্তি অভিযোগে রাহিদ খান পাভেলকে মারধর করার ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহারের ক্ষমতা অবৈধ নয় বলে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার (১২ মে) একটি রিট আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল প্রদান করেন।
আইনজীবী বক্তব্য
রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস। আইনজীবী আসলাম মিঞা বলেন, শাহবাগ থানায় এফআইআর গ্রহণ করা হয়নি। আইনে প্রস্তাবিত হয়েছে যে কগনিজেবল অফেন্সের ক্ষেত্রে এফআইআর বাধ্যতামূলক।
“হাইকোর্ট কেনো এফআইআর নেওয়া হবে না মর্মে রুল দিয়েছে।”
নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার প্রসঙ্গ তুলে আদালত জানান, একবার এফআইআর প্রস্তুত হয়ে গেলে প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।
মামলার পটভিত্তি
রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সম্পর্কে অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করা হয়। ঘটনার পর তিনি শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে দেয়া হয়।
“বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা আমাকে ইট, বেল্ট ও মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে এবং ভিসি চত্বরের সামনে আমাকে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে ও শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছে। থানার ভেতর যখন আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।”
গত ২৯ মার্চ পাভেলের মারধরের ঘটনার জন্য শাহবাগ থানায় দায়ের করা এফআইআর মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্য আইজিপি এবং মহাপরিদর্শককে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ডেপুটি কমিশনার (রমনা) ও শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আইন অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এফআইআর রেকর্ড করতে হবে এবং তদন্ত শুরু করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।