সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের দুই মামলায় জামিন পেলেন, কারামুক্তি বাড়ানো হয়েছে
স ব ক ব চ রপত খ – হাইকোর্ট সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার দুই হত্যা মামলায় জামিন দেয়। মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ করেন।
মামলার বিবরণ
প্রতিবেদন অনুযায়ী খায়রুল হকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সাতটি মামলার সবগুলি জামিনে পরিণত হয়েছে। এ কারণে তার কারামুক্তিতে কোনো আইনি অসুবিধা রইল না বলে জানিয়েছে আইনজীবী।
“যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানায় দায়েরকৃত দুটি হত্যা মামলায় আজ খায়রুল হকের জামিন হয়েছে। এ নিয়ে তার সাতটি মামলার জামিন হলো। তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় মুক্তিতে কোনো বাধা নেই,” বলেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।
খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু, সাঈদ আহমেদ রাজা এবং জাহাঙ্গীর হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. এমদাদুল হানিফ।
গত রোববার হাইকোর্টে জামিন চেয়ে তিনি আবেদন করেন। অধস্তন আদালতে বিফল হওয়ার পর গত ৩০ মার্চ তাকে দুই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার তারিখ ও বিবরণ
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে খায়রুল হক গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার পর থেকে তিনি কারাগারে অবস্থান করছেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত বছরের ২৭ অগাস্ট শাহবাগ থানায় মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও বন্দর থানায় আরও দুটি মামলা হয়। পুনরায় গুরুতর অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে মামলা করে।
নিম্ন আদালতে জামিন নাকচ হওয