News

হোয়াইট হাউজের বাইরে গোলাগুলি, সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে সন্দেহভাজন নিহত

হোয়াইট হাউজ এলাকায় গুলিতে সন্দেহভাজন নিহত হন হ য ইট হ উজ র ব - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউজের একটি নিরাপত্তা চৌকির কাছে

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হোয়াইট হাউজ এলাকায় গুলিতে সন্দেহভাজন নিহত হন

হ য ইট হ উজ র ব – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউজের একটি নিরাপত্তা চৌকির কাছে বন্দুকধারী এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলি ছুড়েছিলেন। পরবর্তীতে সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তাদের পাল্টা গুলি চালানো হয় এবং সেই হামলাকারী মৃত ঘোষিত হন। এই ঘটনায় একজন পথচারীও আহত হন।

হামলাকারীর সামনে গুলির শব্দ শুনা হয়েছিল

আলজাজিরা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হোয়াইট হাউজের নর্থ লন থেকে কমপক্ষে ৩০ রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে। সেই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। হামলার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং রুমে আশ্রয় নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

হামলার পর জরুরি কমিউনিকেশন ঘোষণা

ঘটনার পরপরই হোয়াইট হাউজ এলাকায় লকডাউন ব্যবস্থা করা হয়। সিক্রেট সার্ভিসের কোনো কর্মী আহত হননি। ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা পুরো এলাকা ঘেরাও করে ফেলে। গুলির সময় এক পথচারী আহত হন, কিন্তু তাঁর আহত হওয়ার সময় স্পষ্ট হয়নি।

আলজাজিরার প্রতিবেদক কিম্বার্লি হ্যালকেট জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউজের দিকে সন্দেহভাজন ব্যক্তি প্রবেশ করেছিল। তিনি গুলি ছুড়েছিলেন কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলি চালিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট স্বাভাবিক কাজে ব্যস্ত

বন্দুকধারী গুরুতর আহত হয়ে উদ্ধার করা হয় জর্জ ওয়াশিংটন হাসপাতালে। ঘটনার পর রাত ৮টার সময় প্রেসিডেন্ট তাঁর দাপ্তরিক কাজে নিমগ্ন ছিলেন। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, তাঁদের সংস্থা ঘটনার তদন্তে সিক্রেট সার্ভিসের পূর্ণ সহযোগিতা করছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সম্প্রতি স্টে-অ্যাওয়ে অর্ডার জারি করা হয়েছিল। তার পর এক মাসের মধ্যে তিনি হোয়াইট হাউজ এলাকায় প্রবেশ করে হামলা চালান। গত ২৫ এপ্রিল ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডিনার অনুষ্ঠানের সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হত্যাচেষ্টা ঘটেছিল। এই ঘটনাটি নিরাপত্তা বিষয়ে দ্বিতীয় বড় আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

Leave a Comment