News

চীনের প্রভাবে মিয়ানমার ইস্যুতে কৌশল বদলাচ্ছে ভারত

চীনের প্রভাবে মিয়ানমার ইস্যুতে কৌশল বদলাচ্ছে ভারত চ ন র প রভ ব ম - পাঁচ বছর আগে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটিকে

Desk News
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চীনের প্রভাবে মিয়ানমার ইস্যুতে কৌশল বদলাচ্ছে ভারত

চ ন র প রভ ব ম – পাঁচ বছর আগে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটিকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়। এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলের এক অংশ আশা করেছিল যে কূটনৈতিক চাপ এবং নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রত্যাশার বিপর্যয় ঘটছে।

বর্তমানে এশিয়ার কূটনৈতিক বাস্তবতার পরিবর্তন হয়েছে। সেই অনুযায়ী ভূরাজনৈতিক প্রয়োজনই নীতিনির্ধারণের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মিয়ানমারের কার্যনির্বাহী রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং-এর বৈঠক এই পরিবর্তনের প্রতিফলন। যাইহোক এই সফর কেবল আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করে না, বরং একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক বাস্তবতার স্বীকৃতি দেয়।

মিয়ানমারের জন্য ভারত কূটনৈতিক দূরত্ব বজায় রেখেছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে এই দেশের দীর্ঘ ও ছিদ্রযুক্ত সীমান্ত রয়েছে। তাই মিয়ানমারের অস্থিরতা ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন, জঙ্গি কার্যকলাপ এবং সীমান্ত বাণিজ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। ফলে নয়াদিল্লির পক্ষে মিয়ানমারকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা বাস্তবসম্মত নয়।

আঞ্চলিক সম্পর্ক বজায় রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য। ভারত এই পদক্ষেপ সম্পর্কে অবস্থান কোনও নতুন কিছু নয়। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে যখন জাতীয় স্বার্থ দাবি করেছে। মিয়ানমারের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা কাজ করছে—গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রশ্নে নীতিগত অবস্থান বজায় রেখে কৌশলগত কারণে সম্পর্ক রাখা।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। গত এক দশকে চীন মিয়ানমারে অবকাঠামো, জ্বালানি ও বাণিজ্যিক বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। বঙ্গোপসাগরে প্রবেশাধিকার ও বিকল্প বাণিজ্য রুট হিসেবে মিয়ানমার চীনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে যদি ভার

Leave a Comment