হাম ও উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩০৩
হ ম ও উপসর গ আরও ১২ – তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ জন শিশুর কাছে। নতুন করে ১ হাজার ৩০৩ জনের শরীরে হাম ও উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাধারণ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য ঘোষণা করা হয়।
দুই মাসে হামের প্রকোপ বাড়ছে
গত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত সময়কালে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭৭ জনে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ৪৫১ জনের মধ্যে ৩৭৭ জন এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৭৪ জন। চিকিৎসা কর্মসূচি অনুযায়ী, সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ৬১১ জন। আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ৪১৬ জন।
গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় হাম রোগের প্রকোপ শুরু হয়েছিল। শুরুতে রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং পরে রোগটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।
টিকার কার্ড পরীক্ষার অনুরোধ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের সন্তানের টিকার কার্ড পরীক্ষা করতে বলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম প্রতিরোধে টিকার বিকল্প নেই। ব্যাপক সচেতনতা ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা গেলে রোগের প্রকোপ দ্রুত কমে আসতে পারে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।
হাম একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। এটি মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সরকার জোরদার করেছে হাম ও রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি। দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশেষ ক্যাম্প বসানো হয়েছে। আক্রান্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত সপ্তাহে সংসদে জানিয়েছেন, হাম নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করা হবে। ইতিমধ্যে হাম আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, পুষ্টিহীনতা, অপুষ্টি ও সচেতনতার অভাব মৃত্যু বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অধিকাংশ মৃত্যু ঘটছে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ও টিকা দেওয়া হয়নি শিশুদের মধ্যে।
গত কয়েক দিনে শিশুদের জ্বর, সর্দি, কাশি ও গায়ে লাল ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্�