News

৪ হাজার বছর আগেই ছিল ঢাকার চেয়ে উন্নত ‘স্মার্ট সিটি’!

a60b7e4d-29a3-4444-8dc2-aaecf584bbaf-0

আশ্চর্য হওয়া যায়, ৪ হাজার বছর আগেও স্মার্ট নগরী ছিলো!

Banglabeacon.com – ৪ হ জ র বছর আগ ই – আধুনিক মেগাসিটি নিয়ে মাথাব্যথা করে চলেছি আজকের ঢাকা, টোকিও কিংবা নিউ ইয়র্কের নগরায়ণ প্রণালীর সাথে তুলনা করে। কিন্তু সেই সময়ে পৃথিবীর প্রথম পরিকল্পিত নগরী ছিল সিন্ধু সভ্যতার স্থাপিত এলাকা। এখানে ছিল চওড়া সড়ক, বহুতল বাড়ি, ও পরিকল্পিত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা। তাও আবার সেখানে ছিল ড্রেনেজ সিস্টেম যা ঢাকার চেয়ে বেশি উন্নত ছিল।

প্রত্যক্ষ প্রমাণ দেখায় যে, সিন্ধু সভ্যতার নগরগুলো যে স্মার্ট সিটির ধারণা প্রতিষ্ঠিত ছিল তা সন্দেহ করা যায় না। তারা সবগুলো ভবনের জন্য পোড়ামাটির পাইপ ও ইটের নর্দমা ব্যবহার করেছিল। প্রতিটি বাড়ি থেকে নর্দমা দ্বারা আবর্জনা ও বর্জ্য একটি নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে যেত। এ ছাড়া গোসল ও রান্নাঘরে পানি ছাড়া কোনো আলাদা ব্যবস্থা ছিল। এমনকি প্রতিটি বাড়িতে ছিল ওয়েল রুম ও বাথরুম।

বুদ্ধিজীবীদের একাংশ মনে করেন, সিন্ধু সভ্যতার পরিচালনা করতেন অভিজাত কাউন্সিল বা ব্যবসায়ী নেতাদের মাধ্যমে। রাজপ্রাসাদ বা মন্দিরের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সেখানে ছিল একটি আকাশে প্রশাসন যা সবাই সমান নাগরিক সুবিধা প্রদান করে।

সমাজের নিয়ন্ত্রিত উপকরণ ছিল সিন্ধু নগরীতে

নগরীর ধারণার একটি অত্যাধুনিক রূপ ছিল সিন্ধু সভ্যতার বিশাল ডকইয়ার্ড। এখানে জোয়ারের সময় নৌকা আসত এবং ভাটার সময় পানি চলে যেত। সেখানে শস্য সংরক্ষণের বিশাল ভাঁড়ারঘর ছিল। এটি বলে দেয় যে, সিন্ধু সভ্যতার মানুষ সামুদ্রিক বাণিজ্যে পারদর্শী ছিল। তাদের বাণিজ্য মেসোপটেমিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

ড্রেনেজ ব্যবস্থার সত্যিকার অপূর্ব গুণের প্রমাণ পাওয়া গেল

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সিন্ধু সভ্যতার নগরীতে ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত সিস্টেম। বর্ষাকালে আমরা যখন ড্রেনের পানিতে হাঁটু পর্যন্ত ডুবে থাকি, সেখানে ৪ হাজার বছর আগে শুকনো পায়ে হাঁটতেন।

খননে বেরিয়ে আসা নগরীর চিত্র দেখিয়ে দেয় যে, সিন্ধু মানুষ হাজার বছর আগে স্মার্ট সিটি বাস্তবায়ন করেছিল। তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার সাথে কোনো ক্ষুদ্র বিশ্বের সভ্যতার চারপাশে সবচেয়ে কাছাকাছি পরিকল্পনা দেখা যায়।

যুগ বিস্ময়কর সমাজের প্রমাণ পাওয়া গেল

খননে বেরিয়ে আসা স্থাপনা দেখিয়ে দেয় যে, সিন্ধু সভ্যতার মানুষ যুদ্ধাস্ত্র বিহীন সমাজে সবাই চলতেন। সেখানে অপরাধের প্রমাণ ও যুদ্ধের চিহ্ন নেই। তাদের নগরীর ধারণা এতটাই এগিয়ে ছিল যে, প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চি�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *