সোহরাওয়ার্দীতে পরিচালক নিয়োগ রণক্ষেত্রে পরিণত
স হর ওয় র দ ত পর – সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালক নিয়োগ ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়েছে যা ক্রমান্বয়ে আরও উত্তেজনার সৃষ্টি করছে। ঘটনার প্রারম্ভ হয়েছে গত সপ্তাহে এবং সমস্যার কারণ হিসেবে দাবি জানানো হচ্ছে নতুন পরিচালক কর্মকর্তাদের নিয়োগের সংশয়। তালাবদ্ধ কক্ষে বিতর্কের ফলে সেবা বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে এবং রোগীদের স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্ভাব্য বিঘ্ন সৃষ্ট হয়েছে।
নতুন পরিচালকের প্রতি বিতর্ক ঘটেছে
গত কাল সকালে ডাঃ মামুনুর রশিদ কর্মকর্তাদের কাজে যোগদানের সময় আন্দোলনকারীরা তাঁকে বাধা দেয়। কলেজের অধ্যক্ষ, ভাইস-প্রিন্সিপাল ও ছাত্রদল এ প্রসঙ্গে বক্তব্য দেয়ার চেষ্টা করে। ড্যাব সমর্থনে বলা হয়েছে যে নতুন পরিচালক কর্মকর্তা স্বাচিপের সমর্থক। তাই তাঁকে পরিচালক কর্মকর্তার দাবি বাতিল করার আহ্বান জানানো হয়।
নতুন পরিচালক ডাঃ মামুনুর রশিদ কর্মকর্তাদের আন্দোলনের মুখে পড়ার পর তিনি কাজে যোগদান করেন। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তালা ঝুলিয়ে দেয় এবং হাসপাতালের ভিতরে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত সামনে আসে যাতে ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
সেবাবঞ্চিত রোগীদের ভোগান্তি
বিতর্কের প্রতিক্রিয়ায় হাসপাতালের বিভাগগুলোতে অনেক রোগী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসা সময়ে অনেকে স্ট্রেচারে বা মেঝেতে শুয়ে আছেন। কার্যালয়ে প্রবেশ করতে সাহস পাচ্ছেন না কিছু কর্মচারী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না হয় তবে রোগীদের পরিবেশ আরও চাপ খাওয়া হবে।
হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগের কাজ প্রতিক্রিয়া হয়েছে এবং কর্মকর্তাদের প্রতি সম্পূর্ণ ক্ষোভ জাগিয়েছে। কিছু সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে পরিচালক নিয়োগ ঘটনায় হাসপাতাল এক অস্থিতিশীল অবস্থায় পড়েছে। তালাবদ্ধ কক্ষে বিভাগ চালু করা হয়েছে এবং কিছু রোগীদের সেবা বাতিল হয়েছে।
হাসপাতাল পরিচালনা বিষয়ে দীর্ঘ সময়ের সংঘর্ষ চলছে এবং এতে রোগীদের প্রতি নিরাপত্তি ব্যবস্থা আরও ঘনীভূত হয়েছে। পুলিশ বাহিনী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি সংখ্যাগুণে উপস্থিত হয়েছে যাতে ঘটনার পরিণ