ঈদ গেলেও বগুড়ায় সবজি দাম কমছে না
ঈদ গ ল ও বগ ড় য় – ঈদ গেলেও বগুড়ায় সবজির দাম কমছে না, এটা বর্তমানে এলাকার মানুষের মধ্যে চারিদিকে আলোচনার বিষয়। পবিত্র ঈদুল আজহার পরে বগুড়ার বাজারে বাড়তি দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে যার কারণে ক্রেতাদের দুর্দশা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী স্বাভাবিক সরবরাহ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বেশি মুনাফা নিচ্ছেন, যা প্রতিবেশীদের জীবন খরচ বৃদ্ধি করছে।
সবজি বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ
ঈদ গেলেও বগুড়ার বাজারে সবজির দাম আটকে রয়েছে, যা কৃষকদের সমস্যার ফল। অনেক কৃষক উৎপাদিত আলু এবং অন্যান্য সবজি পণ্য নষ্ট করছেন, যার কারণে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। বিশেষ করে আলুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ আমদানি প্রতিবেশী বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমানে আলু কেজিতে ৩০-৪০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে যা ঈদের আগে দাম ছিল ২০-৩০ টাকা।
বেগুন ও পটল দাম অনেক বেশি হয়েছে, যথাক্রমে ৫০-৬০ টাকা ও ৬০ টাকা হয়েছে। করলা ও কাকরোল দাম প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা ও ৫০ টাকা হয়েছে। কাঁচামরিচ দাম প্রতি কেজি ৬০ টাকা হয়েছে যার কারণে মুখে মুখে স্বাভাবিক দামে কিনতে পারছেন না বেশির ভাগ মানুষ।
সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এক লিটার তেল ২০০-২১০ টাকা হয়েছে এবং পাঁচ লিটার তেল কেনার জন্য ৯৬০-৯৮০ টাকা দিতে হচ্ছে। এটা বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ তেল সরবরাহ কমে গেছে এবং মূল্য বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ী মুনাফা বাড়াচ্ছেন।
মুরগি ও মাছের বাজার বিশ্লেষণ
ঈদ গেলেও মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি দাম ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে যা ঈদের আগে ১৬০ টাকা ছিল। অন্যদিকে পাকিস্তানি ককরেল মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি প্রতি কেজি দাম ৬৪০ টাকা হয়েছে।
মাছের দাম আরও বেড়েছে, যেখানে টেংরা মাছ প্রতি কেজি দাম ৪০০-৫৫০ টাকা হয়েছে এবং পাবদা মাছ ২৫০-৪০০ টাকা হয়েছে। অন্যান্য মাছগুলো যেমন সিলভার কার্প প্রতি কেজি দাম ২৮০-৩০০ টাকা এবং কাতল মাছ ৩২০-৩৫০ টাকা। এটা বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ মাছের ব্যবসায়ী দাম বাড়াচ্ছেন যার কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
মো. মামুন মিয়া বলেন, ঈদ গেলেও বগুড়ার বাজারে সবজি দাম কমছে না কারণ উৎপাদন হার কমে গেছে। কৃষকদের কাছে যাওয়া প্রতিবেশী সবজি প্রতি কেজি দাম �