মিরপুরে ২ হাজার কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার
মাটির ওপর সংসার ছিল অবৈধ বাসস্থান
ম রপ র ২ হ জ র – ৩০ বছরের জবরদখল মুক্ত এলাকায় এক নারী চল্লিশ বছরের মধ্যে সপরিবারে ঝুপড়ি ঘরে বাস করেছেন, যার ওপর নেপথ্য থেকে মোটেও বিশ্বাস ছিল না। গত তিন দশক ধরে বাউনিয়াবাঁধ এলাকার তাঁর ছোট বাড়িটি ক্ষুধিত ভূমিদস্যুদের আঘাতে ভেঙে যেতে চলেছিল, কিন্তু তিনি জানতেন না যে সেই মাটির সত্যিকারো মালিক ছিল রাষ্ট্র।
রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় একবিংশ শতাব্দীর সর্বাধিক বৃহৎ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ (জাকৃ) প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করেছে। এই এলাকায় পরিমাপে প্রায় ৭৭০ কাঠা জমির অবসানের সাথে সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকা শহরের বুকে সেই ভূখণ্ডের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
শিখা কেড়ে নেয় সাহসী মহিলার শেষ সম্বল
অবৈধ সাম্রাজ্য ভেঙে যেতে একটি সম্পূর্ণ সংঘর্ষ ঘটে। গত ২০ ও ২১ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, কিন্তু ক্ষিপ্ত ভূমিদস্যু ও তাদের ভাড়াটে বাহিনী সামনে ঝুলিয়ে ধরেছিল। এই সময় একাধিক সরকারি যানবাহন ভাঙচুর হয়েছিল।
ভাঙচুরের মাঝে সামাজিকভাবে অপপ্রচার করতে সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছিল। গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিন্ত করতে আর সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এই পৈশাচিক হামলা ঘটেছিল। পরিকল্পিতভাবে বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে ঘটনায় প্রায় ৭০ থেকে ৭৫টি পরিবারের শেষ সম্বল চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
“সরকারি সম্পদ উদ্ধার, গৃহায়ণ অফিসকে দালাল মুক্ত এবং ফাইল ঠেকিয়ে ঘু