News

৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মায়, পুলিশের ধারণা ‘আত্মহত্যা’

৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মায়, পুলিশের ধারণা ‘আত্মহত্যা’ ৫ খ ন র আস ম র - ৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মা সেতুতে পাওয়া হয়েছে। ঘটনার পর দিন শনিবার (৯ মে) সকালে গাজীপুর

Desk News
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. ৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মায়, পুলিশের ধারণা ‘আত্মহত্যা’
  2. অপরাজেয় আসামির জানা যায় কী কী কারণে?

৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মায়, পুলিশের ধারণা ‘আত্মহত্যা’

৫ খ ন র আস ম র – ৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মা সেতুতে পাওয়া হয়েছে। ঘটনার পর দিন শনিবার (৯ মে) সকালে গাজীপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানান। তিনি ঘোষণা করেন যে ঘটনার স্থানে আত্মহত্যার ধারণা পুলিশের তরফে জারি করা হয়েছে। এ ঘটনার কারণে পুলিশ আসামি ফোরকান মিয়ার আত্মহত্যার সম্ভাবনা নিয়ে তদন্ন চালু করেছে। ঘটনার স্থান হল কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ফোরকানের ভাড়া বাড়ি। এ সম্পর্কে সূত্রের খবর মতে পুলিশের ধারণা অনুযায়ী পারিবারিক কলহ ও বিষয়টি সমাধান করতে পারা না পেয়ে ফোরকান তার আত্মহত্যা করেছেন।

অপরাজেয় আসামির জানা যায় কী কী কারণে?

৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মায় নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। ঘটনার স্থানে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি রয়েছে। স্ত্রী শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় ঝুলছে। তিনটি মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) এবং ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ সূত্র মতে বাড়িতে পাওয়া সামগ্রীগুলো থেকে মারাত্মক দুর্বলতা সূচিত হয়। কোকাকোলা ও দেশীয় মদের খালি বোতল এবং রান্না করা পায়েশ বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে ঘটনার তথ্য জানান এবং সেই সময় ফোরকান তার মোবাইল ফোন থেকে সেতুর ওপর রাখা সামগ্রী নিয়ে তদন্ন চালু করা হয়।

পুলিশের ধারণা ও তদন্ন কি কি প্রমাণ পেয়েছে?

৫ খুনের আসামির লাশ পদ্মায় পাওয়া হয়েছে। পদ্মা সেতুতে সি সি টি ভি ফুটেজে ফোরকান মিয়ার ব্যাগ ও জামাকাপড় সেতুর ওপরে রাখা দৃশ্য দেখা গেছে। তারপর সেতুর রেলিং থেকে লাফ দেওয়ার ধারণা পুলিশ তৈরি করেছে। তদন্নে অংশগ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বাড়িতে নিহত সবাই মৃত অবস্থায় পাওয়া হয়েছে এবং মরদেহগুলো একটি মোবাইল ফোন ছাড়া অন্য কোনো প্রমাণ নেই। পুলিশ সূত্র মতে খুনের আসামি নিহত হওয়ার পর তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে সম্পূর্ণ বিষয়টি জানান এবং এ ব্যাপারে আত্মহত্যার সম্ভাবনা পুলিশের ধারণা হয়।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন জানান যে ফোরকান মিয়ার খুনের আসামি জানালার গ্রিল থেকে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার পর দিন শনিবার (৯ মে) পুলিশ তদন্ন করে সেতুর ওপর ফোরকান মিয়ার ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করেছে। পাশাপাশি ঘটনার স্থান থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল ও কোকাকোলা বোতল উপস্থিত হয়েছে। �

Leave a Comment