News

সাবেক এমপি এনামুল, তার স্ত্রী ও পলকপত্নী জেসমিনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ | সংবাদ

স ব ক এমপ এন ম ল সাবেক এমপি এনামুল হক এবং স্ত্রী জেসমিনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বিরুদ্ধে নির্দেশ জারি স ব ক এমপ এন ম ল

Desk News
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

স ব ক এমপ এন ম ল সাবেক এমপি এনামুল হক এবং স্ত্রী জেসমিনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বিরুদ্ধে নির্দেশ জারি

স ব ক এমপ এন ম ল – ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সোমবার সাবেক এমপি এনামুল হক, তার স্ত্রী তহুরা হক এবং পলকের স্ত্রী আরিফা জেসমিনের দীর্ঘ ১৬ বছরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ আদেশের প্রমাণ দেন। এ প্রসঙ্গে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা মিনহাজ বিন ইসলাম জানান যে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার তদন্ত কর্মসূচি সম্পন্ন করার জন্য এনামুল হক এবং তহুরা হকের আয়কর নথি জব্দ করা সাধারণ প্রক্রিয়া। সরকার পতনের পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে এনামুল হক গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্ত্রী আরিফা জেসমিনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ একই দিনে জারি হয়।

এ মামলায় আসামি এনামুল হক এবং তহুরা হকের আয়কর নথির সমস্ত মূল রেকর্ডপত্র স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ জব্দ করা হয়। এর সাথে তাদের অবৈধ আয়ের প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করার জন্য এ আদেশ দেওয়া হয়। দুদক নিজের আবেদনের ভিত্তিতে এ নির্দেশ জারি করেন। মিনহাজ বিন ইসলাম বলেন, “আসামি ব্যক্তিদের সম্পদ অর্জনের প্রক্রিয়া পরিস্কার করতে আয়কর নথি জব্দ করা আবশ্যক।”

“এ মামলায় আয়কর নথি জব্দ করা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য অপরিহার্য। আসামি আরিফা জেসমিনের নামীয় রেকর্ডপত্র ও বিবিধ অংশসহ সমস্ত মূল তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন,” দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা মিনহাজ বিন ইসলাম আবেদনে বলেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পলক ও তার স্ত্রী জেসমিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ আদেশ দেওয়া হয়েছে দুদকের পৃথক আবেদনের ভিত্তিতে। আওয়ামী লীগের টিকিটে তিনবার নির্বাচিত এনামুল হকের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৯ এপ্রিল ও ৩০ এপ্রিল দুটি আলাদা মামলা করা হয়। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত চলছে কয়েক মাস ধরে এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ জমা দেওয়া হয়েছে।

দুদকের আবেদন অনুযায়ী আসামি এনামুল হক ও তহুরা হকের ২০০৮-০৯ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথি জব্দ করা হয়। এ প্রক্রিয়াতে আসামির আয়ের পরিমাণ ও প্রবাহ সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। আ

Leave a Comment