পল্লবীতে শিশু হত্যা: পুরো দেশে প্রতিবাদের ঝড় বইছে
পল লব ত শ শ হত য – রাজধানীর পল্লবীতে একটি শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার প্রতিবাদে সারা দেশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ চালু হয়েছে। কুড়িগ্রাম ও মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও সামাজিক সংগঠনগুলি পৃথক কর্মসূচি পালন করে। প্রতিবাদে শিশু হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জুন বিক্ষোভের মাধ্যমে উত্থাপন করা হয়।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় সার্বিক প্রতিবাদ
শুক্রবার (২২ মে) হুমায়ুন কবির সূর্য ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মডেল মসজিদ গেটে জুমার নামাজের পর মানববন্ধন সংগঠিত হয়। সেখানে সাধারণ সমাজের মানুষ একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ মিছিল করে। বক্তব্য দেন আসামি আব্দুর রশিদ গনি, আল ইমরান, আব্দুর রাজ্জাক রাজ এবং নতুন কুঁড়ি কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক আসাদুজ্জামান রাজু।
বক্তারা বলেন, রামিসার মরদেহ ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনা রাষ্ট্রের প্রতি লজ্জাকর সাংস্কৃতিক প্রতিক্রিয়ার সূচনা। এ ঘটনার জন্য রামিসার বিচার হলে সাধারণ মানুষ আন্দোলনে যোগদানের জন্য হুঁশিয়ারি দেন।
পরিচালনা করেন গোয়ালন্দ উপজেলা বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক মো. শফিক মন্ডল। সিরাজদিখানে মানববন্ধন ও সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা জানান, ধর্ষণবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগ ও মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা দাবি করেন। তাদের মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
বিশেষ করে রামিসার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে আয়োজকরা জানান। সড়কে টায়ার জ্বালানো হয় প্রতিবাদে। ছবি: প্রতিনিধি শেখ রাজীব।
রাজবাড়ীতে জনপ্রতিনিধি একত্রিত হয়েছেন
গোয়ালন্দ এলাকায় দৌলতদিয়া-ফরিদপুর মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডে প্রথম আলো ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা রামিসার মৃত্যু ঘটনার পর অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান। তারা বলেন, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না পেলে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে।
বক্তারা জোর দেন যে ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে কেবল আইন নয়, তীব্র সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। ঘটনার মূল হোতা ও সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি উত্থাপন করা হয়।
রাজধানীর পল্লবীতে পুলিশ গত ১৯ মে একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার মৃত শরীর উদ্ধার করে। ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।