News

সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত হাসিল আদায় | সংবাদ

বিধিবদ্ধ নিয়ম অনুসারে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ইজারাদারের বিরুদ্ধে সরক র ন য়ম র ত য় - নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গবাদিপশুর হাট ‘বসুনিয়া

Desk News
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিধিবদ্ধ নিয়ম অনুসারে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ইজারাদারের বিরুদ্ধে

সরক র ন য়ম র ত য় – নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গবাদিপশুর হাট ‘বসুনিয়া হাটে’ সরকারি ধর্মীয় নিয়ম অনুসারে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ শোনা গেছে। পবিত্র ঈদুল আজহার পরে ছয়টি হাটে অতিরিক্ত টোল আদায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ও ব্যবসায়ীরা মূল্যবৃদ্ধি করার প্রতিবাদ করেছেন, কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

হাটে হাসিল আদায় বৃদ্ধি হয়েছে বিধিবিরুদ্ধে

বাংলা ১৪৩৩ সনের জন্য বসুনিয়া হাটের ইজারা নেওয়া হয়েছে জাহেরুল ইসলাম নামের একজন ব্যক্তির হাতে। ইজারা পাওয়ার পর থেকে হাটে গরু প্রতি টাকা ২০০ এবং ছাগল প্রতি টাকা ১০০ টাকা বেশি হাসিল আদায় করা হচ্ছে। সর্বাধিক সম্প্রতি ঈদুল আজহার পর হাটে গরু প্রতি টাকা ৪০০ পর্যন্ত হাসিল আদায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সরকারি নির্ধারিত হাসিল আদায়ের মূল্য গরু প্রতি টাকা ৫০০ হলেও ক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা ৭০০ এবং বিক্রেতাদের কাছ থেকে ‘চাঁদা’ হিসেবে আরও টাকা ২০০ হিসেবে মোট টাকা ৯০০ আদায় করা হচ্ছে। ছাগল প্রতি হাসিল আদায় টাকা ১৮০ হলেও বিক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা ২৮০ নেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগ ও বিক্রম নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে চুপ করেছেন স্থানীয়রা

ইজারাদারের নির্দেশে রশিদ লেখকদেরা বিক্রয় সম্পর্কে বৃদ্ধি হওয়া টাকা আদায় করছেন। কয়েকজন লেখক নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই অনিয়মের স্বীকৃতি দিয়েছেন। একই সাথে হাটে হাসিল আদায়ের মূল্য তালিকা টাঙানো হয়নি।

“আমি টাকা ১ লাখ ৩৬ হাজারে একটি গরু বিক্রি করেছি। ক্রেতার কাছ থেকে টাকা ৭০০ এবং বিক্রেতার কাছ থেকে চাঁদা হিসেবে টাকা ২০০ নেওয়া হয়েছে। এই বোবা কান্না আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতার জন্য বিশেষ মুখ্য নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রযোগ করা হচ্ছে।”

কালাম হোসেন নামের গরু ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, “এই হাটে সব সময়ই অতিরিক্ত টোল নেওয়া হয়। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাইকে ম্যানেজ করে ইজারাদার অনিয়ম চালিয়ে আসছেন।”

হাটে অনিয়ম বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনো ক্রিয়া গ্রহণ করা হয়নি। এক যুবক মুঠোফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করার পর তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় তার মুঠোফোনটি ভেঙে ফেলা হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয়রা ইজারাদারের বির

Leave a Comment