News

শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাই

শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাই শরণখ ল য় অগ ন ক ণ - বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার গাবতলা বাজারে শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে একটি বিস্ময়কর অগ্নিকাণ্ড

Desk News
Published June 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাই

শরণখ ল য় অগ ন ক ণ – বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার গাবতলা বাজারে শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে একটি বিস্ময়কর অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এই ঘটনায় কমপক্ষে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়, যা মার্কেটের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া তুলে ধরে। সূত্র থেকে জানা গেছে যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকার পরিমাণে পৌঁছেছে। শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটার পর ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ও প্রতিক্রিয়া

আগুন হঠাৎ একটি দোকানে লাগে এবং গভীর রাতে এটি ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সাব-অফিসার আফতাবি আলম জানান, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সেই আগেই আসাদুল খান, নয়ন শেখ, সামিম হাওলাদার, হাফিজা বেগম ও আলম হাওলাদারের দোকানগুলো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যায়। একটি প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটার পর ব্যবসায়ীদের গৃহপালনে মারাত্মক আঘাত হয়।

“প্রতিদিনের মতো রাতে আমি দোকান বন্ধ করে বাড়ি গিয়েছিলাম। কিন্তু খবর পেয়ে আসি দেখি সব শেষ হয়ে গেছে। আমাদের দোকানগুলো মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।”

সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী আগুন প্রথমে কেবল একটি দোকানে লাগে। পরে এটি ছড়িয়ে পড়ে এবং বিপর্যয়ের পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলছেন বাজারের পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর খান, যিনি জানান যে দোকানগুলো যে প্রকারের মালিকানায় ছিল, তা বর্তমানে অজানা হয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “এই ঘটনা কোনও সাধারণ অগ্নিকাণ্ড নয়। বিপর্যয়ের পরিমাণ বৃহৎ। শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে গ্রাহকদের অর্থনৈতিক ক্ষতি সম্পূর্ণ আসলে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকার পরিমাণে পৌঁছেছে।”

বিপর্যয়ের পরিস্থিতি ও গৃহপালন

এই অগ্নিকাণ্ডে বিপর্যয়ের পরিস্থিতি কোনও সময় পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় বাসিন্দারা যথাসাধ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন যে দোকানগুলো অগ্নিকাণ্ড ঘটার আগে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার চিহ্ন ছিল। যাঁদের দোকান ধ্বংস হয়েছে তাঁদের বলেন, “আমাদের ব্যবসা খুব কম সময়ে শেষ হয়ে গেল। শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে আমাদের পরিবারের অর্থনৈতিক বিপর্যয় হয়েছে।”

সামগ্রিকভাবে শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটার পর বাজারের প্�

Leave a Comment