রাজধানীতে নকল ওষুধ বিপ্লবের সন্ধান পাওয়া গেছে
র জধ ন ত নকল ওষ ধ – ঢাকা সিটি থানার অধীনস্থ পূর্ব জুরাইন এলাকায় সংযুক্ত অভিযানের মাধ্যমে দিহান ফার্মাসিউটিক্যালস নামক প্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধ ও নকল পণ্য আটক করা হয়। এই অপারেশনে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ স্পষ্ট করে বলেন, কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণহীন উৎপাদন ও জালিয়াতির প্রমাণ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “রাজধানীতে নিয়ন্ত্রণহীন কার্যক্রমের ফলে রোগীদের জীবন ঝু��ঁপে পড়ছে। আইনের লঙ্ঘনের প্রতিকার হিসেবে আমাদের কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।”
বিষ্মৎ পরিবেশে ওষুধ উৎপাদন
অভিযানের ফলে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, সেখানে খোলা জায়গায় জ্বাল দেওয়া লিকুইড সংরক্ষণ এবং ছাড়া লেবেল করা ফিনিশড পণ্য মজুদ ছিল। যার দ্বারা আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হয়েছে। এছাড়া কোনো নিয়ন্ত্রণহীন প্রক্রিয়ায় এসব ওষুধ তৈরি করা হচ্ছিল যা জীবন ধ্বংসের সম্ভাবনা নিয়ে আসে। সাধারণ মানুষের জীবন ঝু�ঁপে পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে, ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে রোগীদের মৃত্যু হতে পারে।
“মেয়াদ শেষ কাঁচামাল ব্যবহারের সাথে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, কারখানায় এমন অপরাধ চলছে যার ফলে আসল ওষুধের মার্কেটে ভেজাল প্রবেশ করছে।” বলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক।
এর আগে কেরানীগঞ্জে আর্টিবাজার এলাকায় একটি বাড়িতে নকল ওষুধ কারখানা খুঁজে পাওয়া হয়। সেখান থেকে প্রায় তিন ট্রাক নকল ওষুধ আটক করা হয়। এতে শিশুদের জন্য নকল জুস এবং ইনজেকশন হিউম্যান অ্যালবুমিনের নকল কপি ছিল। অভিযানে কেমিস্টস ও ড্রাগিস্ট সমিতির নেতারা জানান, নকলবাজদের কোনো ছাড় নেই। বিক্রেতারা যদি জেনেও নকল ওষুধ বিক্রি করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাধারণ মানুষের প্রতি ভয়াবহতা
অপারেশনের প্রমাণ বিশেষজ্ঞদের মতে সাধারণত এই নকল ওষুধ রোগীদের কোনো কাজে লাগে না। তবে প্রতিক্রিয়া হতে পারে যেমন প্রতিষ্ঠানের কাছে সর্বোচ্চ শাস্তি না হলে মানুষের জীবনে নিরাপত্তা রক্ষা করা যাবে না। নকল ওষুধ সেবনে মস্তিষ্ক, ত্বক, কিডনি ও লিভারে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে বলে জানান একজন ওষুধ ব্যবসায়ী।
“বর্তমানে ওষুধের বাজারে কোনটি আসল, কোনটি নকল চেনা সাধারণ মানুষের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরাসরি মৃত্যুদণ্ড দেওয�