বড় বোনের হাতে পড়েছে ছোট বোন | সংবাদ
বড় ব ন র প রক স – উত্তরা পূর্ব থানায় এক ব্যবসায়ী আজিজুল আলমের মূল আসামি হিসেবে বড় বোন শারমিন আক্তার আদালতে প্রক্সি দিয়ে কারাগারে যাওয়ার অভিযোগে ছোট বোন ভাবনাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। ঢাকার মহানগর হাকিম কামাল উদ্দীন সোমবার রিমান্ডের আদেশ জারি করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কাইয়ুম হোসেন নয়ন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, আদালতে আসামি ভাবনার আসল নাম।
গত মঙ্গলবার শারমিন আক্তার আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যান। তবে গত বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানিকালে বাদীপক্ষ সন্দেহ প্রকাশ করে দাবি করেন, কাঠগড়ায় উপস্থিত নারী আসল আসামি নন, আরও কারো মাধ্যমে নারী প্রক্সি দিয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিচারক আসামির মুখে হিজাব ও মাস্ক সরাতে আদেশ দেন। এরপর তার এনআইডি ও পাসপোর্টের ছবি সহ চেহারার কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
হিপনোটাইজ করে বিদেশে বিক্রি করা হয়েছে ম্যাগনেটিক পিলার
ব্যবসায়ী আজিজুল আলম অভিযোগ করেন, তার বন্ধু মনিরের মাধ্যমে মিজান নামের ব্যক্তি ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তার বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য জানতে চায়। পরে সোহেল ফকির ও নাজমুল হাসান তাকে বলে যে, প্রাচীন ম্যাগনেটিক পিলার বিদেশে বিক্রি করে ‘বিলিয়ন বিলিয়ন’ টাকা আনা হবে, যার অর্ধেক তার কাছে দেওয়া হবে।
“সোহেল ও নাজমুলের সুন্নতি লেবাস ও চটকদার কথাবার্তায় আজিজুল বিশ্বাস অর্জন করেন। এরপর তার কারসাজি শুরু হয়। বিশ্বাস অর্জনের পর তাকে বিভিন্ন ধরনের খাবার ও মিষ্টি খাওয়ায়। খাবার খাওয়ার পর থেকে তার মাথায় কাজ করছিল না। আজিজুল তাদের অনুগত হয়ে যান। তারা যা বলে তাই করে।”
অভিযোগে প্রতারকদের কাছে অলৌকিক ও জ্বিনের মাধ্যমে মূল্যবান প্রাচীন পিলার ম্যাগনেট ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে আসতে পারে বলে জানায়। এরপর তারা তার অফিসে যাতায়াত শুরু করে এবং তাকে প্রতিদিন খাবার খাওয়ায়। খাবার খাওয়ার পর থেকে তার মাথায় কাজ করছিল না।
প্রতারণার ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ভয়ঙ্কর জালিয়াতি। কিছুদিন পর জিনের মা সেজে এক নারী বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন দিয়ে টাকা দাবি করতে থাকে। পরবর্তীতে জিনের বাদশা নামে একজন ফোন করে হুমকি দেয়। এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, “পরবর্তীতে জ্বিনের বাদশা (রাসেল) তাকে ফোন করে বলে সোহেল ও নাজমুলকে পাঠিয়েছে। তাদের কাছে ৫ কোটি