News

সোহেল-স্বপ্না দম্পতির আত্মপক্ষ শুনানি আজ

সোহেল-স্বপ্না দম্পতির আত্মপক্ষ শুনানি আজ আজ বুধবার (৩ জুন) শুনানি করা হবে স হ ল স বপ ন দম্পতির আত্মপক্ষ শুনানি আজ বুধবার (৩ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন

Desk News
Published June 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সোহেল-স্বপ্না দম্পতির আত্মপক্ষ শুনানি আজ

আজ বুধবার (৩ জুন) শুনানি করা হবে

স হ ল স বপ ন দম্পতির আত্মপক্ষ শুনানি আজ বুধবার (৩ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হবে। সাবলেট সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার প্রতিবেদনের জন্য আদালতে উপস্থিত হবেন। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী এ ঘটনার প্রক্রিয়া অত্যন্ত বিস্ময়কর। স্বপ্না আক্তার এ মামলার আত্মপক্ষ পূর্ণ করেছেন, যেখানে স হ ল স বপ ন রামিসা আক্তারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালতে বিচারক মাসরুর সালেকীনের বেঞ্চ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পরিচালনা করবেন।

পুলিশের তথ্য ও ঘটনার প্রক্রিয়া

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মে দুপুরে রামিসা আক্তারের লাশ পল্লবী এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে উদ্ধার করা হয়। তিনি সে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। স হ ল স বপ ন দম্পতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ছিল। পুলিশ জানায়, সেই দিন সকালে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার স্কুলছাত্রী রামিসাকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে হত্যা করেন। ঘটনার পর সোহেল রামিসার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে পালিয়ে যান, যার পর স্বপ্না আক্তার কার্যত স্থানান্তরিত হন। ঘটনার ক্রম স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছে যে স হ ল স বপ ন দম্পতি একটি সামাজিক গোলযোগের পরিণতি হিসেবে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না আক্তার জানান, সোহেল রানা রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। তারপর তিনি হত্যা করেন এবং লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যান। পুলিশ তথ্য অনুযায়ী, স হ ল স বপ ন রামিসার সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার পর হত্যা করেন। স্বপ্না তার স্বামীর কাছে সমর্থন দিয়েছেন কিন্তু ঘটনার ক্রম সম্পর্কে তার সম্পূর্ণ বর্ণনা প্রকাশ করেছেন।

প্রতিবেদন করা হবে ট্রাইব্যুনালে

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স হ ল স বপ ন দম্পতির আত্মপক্ষ পূর্ণ করা হবে। বিচারক মাসরুর সালেকীনের বেঞ্চ এ মামলার বিচার করবেন। এ মামলায় রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ। স্বপ্না আক্তার স্থানান্তরিত হন এবং পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে সোহেল রানা ঘটনার পর লাশ গুমে পালিয়ে যান। আদালতে তাদের আত্মপক্ষ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে যেখানে সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।

বিচারকের সমালোচনা ও সংস্থাগুলোর ধারণা

বিচারক মাসরুর সালেকীনের প্রতিবেদনে স হ ল স বপ ন দম্পতির অভিযোগ গুরুত্ব স্থাপন করা হয়েছে। পুলিশ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী এ ঘটনা সম্পর্কে স্বপ্না আক্তার সম্পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন। বিচারক বলেছেন যে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দুই সাথী হিসেবে দায়িত্ব বহন করছেন। আদালত তাদের আত্মপক্ষ

Leave a Comment