বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ: জলবায়ু পরিবর্তন বিরুদ্ধে সংগ্রামের নতুন ধাপ
ব শ ব পর ব শ দ – আজ পরিবেশ রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন উপস্থিত হয়েছে। বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অনেকগুলো দেশে এই দিবস পালন করা হয় এবং জাতিসংঘের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচি হিসেবে পরিচিত। এ বছরের কর্মসূচিতে ব শ ব পর ব শ দ আবারও মানবজাতির জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন ঘটানোর জন্য নতুন আশা জাগিয়েছে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সারমর্ম ও গুরুত্ব
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’। এটি জাতিসংঘের সদর্থক উদ্যোগ বিষয়ে স্পষ্ট করে তুলছে যে সম্প্রতি বিশ্বের অনেক দেশে এই কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। স্টকহোমে অনুষ্ঠিত ১৯৭২ সালের মানব পরিবেশবিষয়ক সম্মেলনের পর থেকে জাতিসংঘ এই দিনটিকে বিশ্বজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করছে।
পরিবেশবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, নদীভাঙন, বন্যা, খরা এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবেশ, কৃষি ও মানুষের জীবনে গুরুতর ক্ষতি সৃষ্টি করছে।
ব শ ব পর ব শ দ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ হল এটি বিশ্ব সম্মিলিত ভাবে মানুষের সাথে পরিবেশ রক্ষার জন্য সংগ্রামে আহ্বান জানানো। আজকার সংকটগুলো সমাধান করার জন্য বিশ্বের অনেক দেশ একত্রিত হয়ে সংযুক্ত হচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশে এই কর্মসূচির গুরুত্ব খুব কম মানুষ বুঝতে পারছে।
পরিবেশ সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি
পরিবেশগত সংকটকে আরও খারাপ করছে পলিথিন দূষণ, বায়ু পরিষ্কারতা হ্রাস এবং অপরিকল্পিত শহর বিস্তার। সরকার বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে যেমন দেশজুড়ে বৃক্ষ রোপণের লক্ষ্যে প্রতি বছর ২৫ কোটি গাছ রোপণ, সম্পূর্ণ দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করার উদ্দেশ্যে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
ব শ ব পর ব শ দ কে আরও গুরুতর হওয়া দরকার যেহেতু জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মুখীন হওয়া বাংলাদেশের প্রাণিদেহে প্রতিটি মানুষকে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। আজকার দিনে আমাদের অবশ্যই ব শ ব পর ব শ দ কে আঁকড়ে ধরতে হবে এবং একটি নতুন সংগ্রামের প্রারম্ভ করতে হবে।
অভিযোগ এবং সমাধান বিষয়ে পরিচিতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাব�