দক্ষ ড্রাইভার-মালি নিতে চায় আমিরাত
দক ষ ড র ইভ র ম – বাংলাদেশের জনবল থেকে বিশেষ করে ড্রাইভার ও মালি কর্মীদের আমিরাত নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী খাসিফ আল-হামুদী এবং বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সৌজন্য সাক্ষাতে। এ সময় ছয় মাসের প্রশিক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সহযোগিতা ও বিনিয়োগ
শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আল-হামুদী সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীদের বৃদ্ধি এবং বাইরের আইনি সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, আমিরাতে দক্ষ ড্রাইভার ও মালির ব্যাপক প্রয়োজন।
“বাংলাদেশ ও আমিরাত অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম দেশ।”
এখন পর্যন্ত আমিরাতে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মরত রয়েছেন। তিনি জানান, আমিরাতের নীতিমালা অনুযায়ী ড্রাইভার নিয়োগের ক্ষেত্রে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মানবপাচার প্রতিরোধে সমঝোতা স্মারক
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদূত আল-হামুদী মন্তব্য করেন, আমিরাতের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ করতে চায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার আগ্রহকে স্বাগত জানান এবং সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।
“দুই দেশ যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মানের ছয় মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করতে পারে।”
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব রেবেকা খান ও উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন উপস্থিত ছিলেন। মানবপাচার প্রতিরোধে দুই দেশের মধ্যে আরও ব্যাপক আইনি সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।