শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির সিইটিপি সমস্যার পরিচয় দিয়েছেন
ন জস ব ইট প ত র – পবিত্র ঈদুল আজহার পরিবেশে ট্যানারি কোম্পানিগুলো থেকে উপস্থিত অতিরিক্ত বর্জ্যের কারণে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) চাপ সামলাতে অক্ষম হয়েছে। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করেন। সাভারে হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকায় চামড়া শিল্পনগরী ও সিইটিপি পরিদর্শনের পর তিনি সেই বিষয়ে আলোচনা করেন।
আগে তিনি বিসিক কার্যালয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। মন্ত্রী বলেন, প্রতিদিন সিইটিপিতে বর্জ্য শোধন করা যায় কিন্তু কোরবানি ঈদে বর্জ্যের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান সিস্টেম সামনে আসে। সেই সীমাবদ্ধতার কারণে সাভার চামড়া শিল্প চাপে পড়েছে।
সিইটিপির বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করতে শিল্পমন্ত্রী বলেন, “প্রতিদিন সংগৃহীত বর্জ্যের পরিমাণ কোরবানি ঈদে কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এই বিশাল চাপের জন্য বর্তমান ব্যবস্থা অক্ষম। তাই সরকার নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।”
ট্যানারি মালিকদের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের জন্য মন্ত্রী এক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে যেসব ট্যানারি মালিকের আর্থিক ও কারিগরি ক্ষমতা রয়েছে তারা নিজেদের ইটিপি তৈরি করবে। সরকার সেই প্রক্রিয়া প্রসার করছে।
খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির মন্ত্রী বলেন, “দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত চামড়া। এই খাত আগে ছিল দেশের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র এখনো তা আছে। কিন্তু হাজারীবাগ থেকে অপরিকল্পিতভাবে সাভারে শিল্প স্থানান্তর করে দেওয়ায় এই খাতে আন্তরিক আশাবাদ রয়েছে।”
বর্তমান সরকার চামড়া শিল্পের সব সমস্যা ও সিইটিপি প্রসঙ্গে আন্তরিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “আমরা শিল্পের গৌরব ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছি। সিইটিপির আধুনিকায়ন ও ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হন শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিকের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ট্যানারির মালিকরা। তারা মন্ত্রীর কাছে