News

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু | সংবাদ

দুর্নীতির মামলায় আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু বিচারক আদালতে বাদী হিসেবে উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন দ র ন ত র ম মল - দুর্নীতির

Desk News
Published May 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দুর্নীতির মামলায় আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

বিচারক আদালতে বাদী হিসেবে উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন

দ র ন ত র ম মল – দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ কার্যক্রম গত বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে প্রারম্ভ হয়েছে। মামলার প্রধান বাদী হিসেবে উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দিতে আসেন এবং দুর্নীতির মামলার প্রমাণ হিসাবে তার নামে রয়েছে বিভিন্ন সম্পদ ও ব্যবসার তথ্য। আদালত আগামী ২০ মে পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এ বিষয়ে জানানো হয়েছে যে আগামী মাসে সাক্ষ্যপ্রমাণের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে এবং দুর্নীতির মামলার পরিচয় গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। মামলার অভিযোগপত্র গত ৮ মার্চ আদালতে প্রবিষ্ট হয়েছে। পূর্ব পর্বে দুর্নীতির মামলার প্রমাণ হিসাবে হাফিজুল ইসলাম আগে থেকে অভিযোগ দাখিল করেছিলেন। এ মামলার তারিখ ছিল ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর।

দুর্নীতির মামলার প্রমাণ বিস্তার

অভিযোগপত্রে দুর্নীতির মামলার প্রমাণ হিসেবে বেনজীর আহমেদ অবৈধ উৎসের অর্থ এবং মালিকানার গোপনীয়তা বজায় রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তের ফলাফলে দুর্নীতির মামলার প্রমাণ হিসাবে প্রাপ্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যে বেনজীর আহমেদের সম্পদ ঘোষণার মোট পরিমাণ সঞ্চয় হয়েছে ব্যয় বাদে ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

দুর্নীতির মামলার প্রমাণ হিসাবে এতে মোট সম্পদ অর্জনের প্রমাণ হয়েছে ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসাবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। তার সম্পদ অর্জন এবং বৈধ আয়ের মধ্যে পার্থক্য দেখা গেছে।

আদালতের বিচারক মামলার দিকনির্দেশ দেন

দুর্নীতির মামলায় বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন বৈধ আয়ের পরিমাণ এবং অবৈধ সম্পদের মধ্যে তুলনা করেন। তিনি মামলার প্রাথমিক তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে পরবর্তী ধাপে নির্দেশ দেন যে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও সম্পদের চূড়ান্ত সংযোগ ঘটানো হবে। এ মামলার ক্ষেত্রে সম্পদ ঘোষণার পরিমাণ দুর্নীতির মামলার আদালতে পরিমাপ করা হয়েছে।

দুর্নীতির মামলার প্রক্রিয়ায় আদালত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিযোগী বাদীর পক্ষে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে দুর্নীতির মামলার প্রমাণ জোগানো হবে। এ মামলার সংগঠন বিশেষ জজ আদালতে প্রারম্ভ হয়েছে এবং �

Leave a Comment