কারাগারে আর বাইরের হাসপাতালে বন্দীদের প্রাণ ঝরছে পথেই
অ য ম ব ল ন স – প্রতিবেশী কারাগারে কেউ অসুস্থ হলে তাকে প্রথমে কারা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ধারণা রয়েছে। কিন্তু সত্যিকারোপনে দেশের ৪৬টি কারাগারে কোনো অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না। চিকিৎসকের অভাব এবং সংকট মুহূর্তে পরিবহনের কম সুবিধার কারণে প্রতিদিন বন্দীদের লাশ কারাগার থেকে বের হচ্ছে।
সিএনজি বা অটোরিকশার যানবাহনে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নানা রোগে আক্রান্ত বন্দীদের জীবন হারিয়ে যাচ্ছে। গত ১৯ দিনে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়া বন্দীদের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই প্রাণ হারানোর সংখ্যা ছোটখাটো দিনের জন্য ১৯ জন। এর মধ্যে গত ১ মে মহসিন আলী নামে হাজতি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটে। তিনি কারা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।
জরুরি বিভাগে প্রাণ হারিয়েছে কারাগারের মধ্যে
গত ১২ মে জয়পুরহাট কারাগারে সবুর সরকার নামে বন্দী স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। কয়েক দিন পর একই কারাগারে বাহেজ আলী হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই মৃত ঘোষণা করা হয়। এই দুর্দান্ত পরিস্থিতি অতীতে বছরের পর বছর চলছে।
সারা দেশে কারাগারের ভেতরে চিকিৎসার ব্যবস্থা আরও কঙ্কালসার রূপ নিয়েছে। প্রতি বছর রোগী প্রাণ হারানোর সংখ্যা হারানো চলছে। তথ্য অনুযায়ী ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মে মাসের ১৯ তারিখ পর্যন্ত সাধারণ পরিসংখ্যানে প্রাণ হারানোর সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্সের সংকট দেশজুড়ে ছড়িয়েছে
কারাগারে জরুরি পরিবহনের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সের কম সংখ্যা। সারা দেশে প্রায় ৭৫টি কারাগারের জন্য প্রয়োজন হয়েছে ৯৯টি অ্যাম্বুলেন্স, কিন্তু বর্তমানে টিকে আছে মাত্র ২২টি। ফলে দেশের ৪৬টি কারাগারে অ্যাম্বুলেন্স নেই।
যে ২২টি অ্যাম্বুলেন্স কোনোমতে কাজ করছে, সেগুলোর বেশিরভাগ পুরনো। তাদের চালানো হচ্ছে জোড়াতালি দিয়ে। কোনো বন্দী গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিক সহায়তা পেতে পারেন না এবং কারারক্ষী তাদের পিকআপ ভ্যান বা অটোরিকশার মাধ্যম