দ ল ল র পর ব: বিহারে আবারো অগ্নিকাণ্ডে হাসপাতালে মৃত্যুফাঁদ ঘটেছে
দ ল ল র পর ব হ – দিল্লির মালব্য নগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২১ জন মৃত্যুর পর আবারো বিহারে আগুনের বিপর্যয় ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোর ৪টা নাগাদ মুজফফরপুর জেলার ‘প্রসাদ হাসপাতাল’ নামের বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে ঘটে এই ঘটনা। অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়ে উদ্ধার করা হয়। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় দমকল ও পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংঘটিত ঘটনার সামনে দাঁড়ায়।
হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪ জন মৃত্যু
মুজফফরপুরে ঘটে অগ্নিকাণ্ডে হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগ ধ্বংস হয়েছে। সেই সময় অন্তত ১৫ জন রোগী ও চিকিৎসা কর্মী হাসপাতালে থাকছিলেন। আগুন লাগার পর কর্মীদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছে রোগীদের পরিবার। অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্তে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা হয়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার কারণে এলাকা গুরুতর ধোঁয়ায় ঢেকে পড়ে। উদ্ধার অভিযানে আগুন নিভানো কাজে সম্পূর্ণ সাহায্য করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ জাগছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি অভিযোগ উঠেছে যে আগুন লাগার পর কর্মীরা দমকলের আগমনের আগেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। তবে অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে তদন্ত চলছে এবং সেই প্রক্রিয়ায় মৃতের সংখ্যা কতটা বাড়বে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো হাসপাতাল ক্ষত্বরু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই বিহারে সরাসরি ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে দ ল ল র পর ব তুলে ধরে হাসপাতালের অবস্থার মূল কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন আধিকারিক প্রশাসন প্রতিক্রিয়া দেখা শুরু করেন। তদন্তে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গাফিলতি কী ভাবে হয়েছে তা পরিষ্কার করা হচ্ছে। অনুমান হচ্ছে অগ্নিকাণ্ড হওয়ার কারণ হতে পারে সংকট সময়ে বিহারের সংকট বৃদ্ধি। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ২০ জনকে, কিন্তু এখনও কিছু রোগী বেঁচে আছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনার প্রতি খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জোর কদমে হাসপাতালে পৌঁছে দাঁড়ান। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন ও পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনার পরিণতি কমাতে চেষ্টা করছেন।
মুজফফরপুরের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে রোগীদের পরিবার গুরুতর অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, আগুন লাগার পর কর্মীদের কাউকেই পাওয়া যায়নি। সেই সময় হাসপাতালের প্রতিমুখে কোনও মানুষ আছে বলে দেখা গেছে না। এমনকি আগুন নিভানোর সময় কর্মীদের অবস্থা অত্যন্ত ক্ষত্বরু। এখনও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কী ভাবে বিপর্যয় ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।