গ্রিড প্রস্তুত, সমন্বয়হীনতায় অন্ধকারে চরফ্যাশন
গ র ড প রস ত ত – গ্রিড প্রস্তুত হওয়া সত্ত্বেও ভোলার চরফ্যাশনে বাসিন্দারা আলো পাচ্ছেন না। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সেখানে গ্রিড প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে একটি নতুন আধুনিক বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, যার নির্মাণ খরচ হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। কিন্তু ওজোপাডিকো ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দুই সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে গ্রিড প্রস্তুত হওয়া সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে না। এই সমস্যার কারণে স্থানীয় জনগণের ক্ষোভ বাড়ছে।
গ্রিড প্রস্তুত হওয়া সত্ত্বে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিলম্ব
২৩০/৩৩ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন জিআইএস উপকেন্দ্রটি গত ২৩ মে সফলভাবে কমিশনিং করা হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য এটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে কিন্তু বিতরণ সংস্থাগুলো লোড গ্রহণে অগ্রগতি করছে না। একাধিকবার তাগিদ দেওয়ার পরও গ্রিড প্রস্তুত হওয়া সত্ত্বে স্থানীয় জনগণের আলো পাওয়া যাচ্ছে না।
সংস্থাগুলোর সমন্বয় না হওয়ার কারণ
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি বলেছেন, দ্রুত বিদ্যুৎ গ্রহণ না করলে চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে লোডশেডিং কোনোভাবে কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।
প্রস্তুত গ্রিড প্রস্তুত হওয়ার পরও ওজোপাডিকো ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দুই সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যর্থতা হচ্ছে। ক্ষমতা বিতরণের ক্ষেত্রে গ্রিড প্রস্তুত হওয়ার পর নতুন প্রস্তুত অবস্থার কারণে স্থানীয় দুর্দশা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বরিশাল অনুবিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান পলাশ স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানান, নতুন উপকেন্দ্রের কারণে চরফ্যাশন অঞ্চলের দীর্ঘদিনের লো-ভোল্টেজ ও বিদ্যুৎ ঘাটতির সমাধান হবে। তবে গ্রিড প্রস্তুত হওয়ার পরও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রক্রিয়াটি অবরুদ্�