News

ঢাকা ছেড়ে শেকড়মুখী জনস্রোত, খুশির ভোগান্তি

ঢাকা ছেড়ে শেকড়মুখী জনস্রোত, খুশির ভোগান্তি ঢ ক ছ ড শ কড ম - লাখ লাখ মানুষ রাজধানী ছেড়ে ছেড়ে যাচ্ছেন। প্রতিটি প্রবেশ ও বহির্মুখ টার্মিনাল এখন মানুষের প্রাণ

Desk News
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঢাকা ছেড়ে শেকড়মুখী জনস্রোত, খুশির ভোগান্তি

ঢ ক ছ ড শ কড ম – লাখ লাখ মানুষ রাজধানী ছেড়ে ছেড়ে যাচ্ছেন। প্রতিটি প্রবেশ ও বহির্মুখ টার্মিনাল এখন মানুষের প্রাণ ফিরে এসেছে। এ দিনগুলো শুধু ভিড় ও চাপের চিত্র নয়, বাড়ি ফেরার উত্তেজনার বিষয়টিও প্রতিফলিত হচ্ছে।

গাবতলী বাস টার্মিনাল

রাজধানীর উত্তর প্রবেশপথ গাবতলী বাস টার্মিনালে সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকেই একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এবং বগুড়া সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গার যাত্রীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

টাঙ্গাইলগামী যাত্রী নুরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে বাস ধরতে এসেছি। সন্ধ্যার মধ্যেই বাড়ি পৌঁছে যাব। মায়ের কোলে ফিরে যাব।

ফুটপাতে ব্যবসায়ীদের চোখে পড়ছে মানুষ দ্বারা যাত্রী নিয়ে সব জায়গায় ব্যস্ততা। পানি, শুকনো খাবার, শিশুদের জন্য চিপস-চকলেট নিয়ে ছোট ছোট দোকানগুলো এখন গুরুতর আবহাওয়া। বিক্রি ভালো, মুখে হাসি।

মহাখালি টার্মিনাল

মহাখালি বাস টার্মিনালেও বিভিন্ন কাউন্টারে যাত্রীদের ছুটছে। বেশির ভাগ বাসের কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন গঠিত হয়েছে।

সিলেটগামী এক যাত্রী ফারজানা ইয়াসমিন জানান, ‘ছোট মেয়েকে নিয়ে অপেক্ষা করছি। কিন্তু মেয়েটি কাঁদছে না বরং বলছে—আম্মু, আমরা কি নানুবাড়ি যাচ্ছি? তাদের মুখ দেখেই ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।’

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল

ঢাকার নৌ-প্রবেশপথ সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের চিত্রও প্রায় একই। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর সহ দক্ষিণের জেলাগুলোর যাত্রীরা এখান থেকে নৌকায়, লঞ্চে আর স্পিডবোটে রওনা দিচ্ছেন।

ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। হাতে বস্তা, কাঁধে ব্যাগ, গলায় ছোট্ট শিশু নিয়ে সবাই কোনোমতে জায়গা করে নিচ্ছেন।

ভোলাগামী যাত্রী জসিম মোল্লা বলেন, ‘প্রতিবার ঈদেই সদরঘাট ভোগান্তি। তবুও বাড়ি যেতে হবে। নৌপথে সময় লাগে ৮-১০ ঘণ্টা, কিন্তু শেষে গ্রামের বাড়ি পৌঁছেই সব কষ্ট ভুলে যাই।’

যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইপাড় এলাকা

যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইপাড় এলাকায় ঈদের দিনে চাপ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় পুরো দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের যাত্রীরা এখান থেকে রওনা দিচ্ছেন। দুপুরের পর থেকে চাপ বাড়ছে, সন্ধ্যার দিকে অবস্থা আরও ঘোরালো হয়েছে।

বাসের হর্ন, যাত্রীদের ডাকাডাকি, হেলপারদের চিৎকার সব মিলে একটি মাতোয়ারা পরিবেশ গড়ে উঠেছে। শিশুদের উপস্থিতি বেশি চোখে পড়ে। মা-বাবা কোলে করে নিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ মুখে মাস্ক নিয়ে বড়দের হাত ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।

সায়েদাবাদ ব

Leave a Comment