রাষ্ট্রপতি ভবনে পদ্মশ্রী পেলেন প্রসেনজিৎ
র ষ ট রপত ভবন পদ মশ – সোমবার (২৫ মে) দিল্লির রাইসিনা হিলসে অবস্থিত রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত ‘সিভিল ইনভেস্টিচার সেরিমনি’ অনুষ্ঠানে টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেন। তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে প্রায় চার দশকের অসামান্য অবদানের জন্য এই সম্মান পান, যার মধ্যে রয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় চরিত্র এবং ইন্ডাস্ট্রির কঠিন সময়ে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রতি স্বীকৃতি।
অনুষ্ঠানে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে নথিভূষিত হয় ধর্মেন্দ্রের মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পুরস্কার। এই সম্মান তার স্ত্রী হেমা মালিনী গ্রহণ করেন, তার সঙ্গে ছিল তাঁর কন্যা অহনা।
বিনোদন জগতের নামী ব্যক্তিত্বদের সম্মান
এই সম্মান নয় কেবল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্য। পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব পদ্মশ্রী পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন- অশোক কুমার হালদার, গম্ভীর সিং ইয়োনজোন, হরি মাধব মুখোপাধ্যায় (মরণোত্তর), জ্যোতিষ দেবনাথ, কুমার বোস, মহেন্দ্র নাথ রায়, রবিলাল টুডু, সরোজ মণ্ডল এবং তরুণ ভট্টাচার্য। দেশজুড়ে সাহিত্য, সঙ্গীত, চিকিৎসা ও শিল্পকলার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান স্বীকৃতি পেয়েছে।
“এই সম্মান আমাদের পরিবারের কাছে গর্বের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে ওঠে।”
প্রসঙ্গত, প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী ১৯৬৮ সালে ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। পরে তিনি ‘অমরসঙ্গী’ চলচ্চিত্রে বাংলা ছবির অবিসংবাদিত নায়ক হিসেবে চূড়ান্ত শ্রেষ্ঠতার পৌঁছান। তিন শতাধিক ছবিতে অভিনয় করার মাধ্যমে তিনি শুধু জনপ্রিয়তার শিখরে নয়, বরং বাংলা চলচ্চিত্রের সংকটকালে ইন্ডাস্ট্রিকে ধরে রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
রাইসিনা হিলসের এই বর্ণময় সন্ধ্যায় দেশের শ্রেষ্ঠদের সম্মানিত করার পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রের এক জীবন্ত কিংবদন্তির সাফল্যে গর্বিত হয়ে ওঠে সমগ্র বাংলা। এই সম্মান শুধু একজন অভিনেতার প্রাপ্তি নয়- এটি বাংলার সংস্কৃতি ও সিনেমার প্রতি দেশের শ্রদ্ধার প্রতীক।
পদ্ম সম্মান ক্ষেত্রগুলি
এই পুরস্কার তিনটি ভাগে বিভক্ত। পদ্মবিভূষণ অসাধারণ �