News

দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টা, ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড

দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকার প্রচেষ্টা, ইমামের সাত বছরের কারাদণ্ড দ ক ন ড ক শ শ - বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তার জন্য এ ধরনের ঘটনার সামনে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায়

Desk News
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকার প্রচেষ্টা, ইমামের সাত বছরের কারাদণ্ড

দ ক ন ড ক শ শ – বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তার জন্য এ ধরনের ঘটনার সামনে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে বিচার করা হয়েছে। এ মামলায় ইমাম হিসেবে পরিচিত আলী হোসেন নামক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায় ছয় মাসের বিনাশ্রম দণ্ডের আদেশ জারি করা হয়। এ রায় ঘোষণা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন। এ ঘটনায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে ইমামকে কারাদণ্ডের আদেশ নিয়ে।

অভিযোগের পটভূমি এবং ঘটনা বিস্তারিত

মামলার তথ্য অনুযায়ী, দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টা করা হয় বলে ইমাম আলী হোসেন অভিযুক্ত হন। তিনি সালথা উপজেলার বড় কামইদিয়া গ্রামে বাস করেন এবং নগরকান্দা উপজেলার একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। ঘটনাটি ঘটেছিল দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার সময় যখন শিশুটি সালথার একটি কওমি মাদরাসার হেফজখানা শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার দিন ছিল ২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যখন শিশুটি বাড়িতে আসে। পরদিন সকালে বাড়ির পাশে দোকানে গেলে ইমাম শিশুটিকে বলাৎকারের চেষ্টা করেন। শিশুর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দরা আসে এবং তাকে হাতে নিয়ে পুলিশে তোলে। এর পর শিশুর বাবা নগরকান্দা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার তদন্তকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নূর মোহাম্মদ ক্রমাগত পরিচালনা করেন। তিনি দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার সম্পর্কে প্রমাণ সংগ্রহ করেন। অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয় ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর। বিচারিক প্রক্রিয়া পূর্ণ হওয়ার পরে আদালত আসামিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ জারি করেন। এ রায়ে ইমামের নিয়ম নিষেধ করার সঙ্গে সাথে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিচার প্রক্রিয়া এবং বিনাশ্রম দণ্ড

দোকানে ডেকে শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে আসামি আলী হোসেনকে বিচার করা হয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। বিচারক শামীমা পারভীন এ ঘটনার প্রতি গুরুত্ব দেখিয়েছেন যে এ ধরনের অপরাধ শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হওয়া মাত্র তাদের নিরাপত্তা বজায় রাখা প

Leave a Comment