জাতিসংঘে শান্তিরক্ষীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান
জ ত স ঘ শ ন ত – জাতিসংঘে শান্তিরক্ষীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে ঘোষিত হয়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক সংঘাত ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির সময়, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী কার্যক্রম জন্য অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি সরবরাহের প্রয়োজন হয়েছে। তাদের আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা বৃদ্ধি করতে হবে বলে বিশেষজ্ঞদের সমালোচনা করা হয়েছে।
প্রযুক্তি ও অর্থায়নের প্রয়োজন
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন চৌধুরী ঘোষণা করেন যে, শান্তিরক্ষীদের কাজে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য উত্তেজনা কমাতে প্রযুক্তি গত পরিবর্তন এবং আরও বেশি অর্থায়ন প্রয়োজন। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে বিপদগুলি সময় সময় অনুমান করা এবং কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেওয়া সম্ভব হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিশেষ প্রশংসা করে বলেন যে, মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে তাদের অনুমোদন দেওয়া আরও জরুরি হয়েছে।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সংক্রান্ত আলোচনার মধ্যে সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেরিল পিয়ার্স ও মিনুস্কার ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হামফ্রে নিয়োন একটি সামরিক চূড়ান্ত পর্যায়ের বৈশ্বিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের মতে, আধুনিক সংঘাত এবং অস্থিতিশীলতার মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী কার্যক্রমকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও বেশি সক্ষম করা আবশ্যক।
গাজা পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গা সংকটের সময় বেসামরিক নাগরিকদের হতাহত ঘটনা দেখা দিয়েছে, যা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের আরও বেশি সংগঠন করার প্রয়োজন বোঝায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরিবর্তিত যুদ্ধ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কাজ অনেক সুবিধাজনক হবে।