ঈদুল আজহা আসলেই চারপাশে আলোচনা শুরু হয় গরু, ছাগল আর কোরবানির পশু নিয়ে
গ হপ ল ত হওয় র ইত – মানবসভ্যতার ইতিহাসে কৃষিজীবী হওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। সেই প্রশ্নটি প্রায় দশ হাজার বছর আগে যে সময় মানুষ প্রথম অঞ্চলে পশুপালন শুরু করে সে সময় থেকেই শুরু হয়। জাগরোস পর্বতমালার গঞ্জ দারেহ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি সেই ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হিসেবে পরিচিত। এখানে আবিষ্কৃত হয় প্রায় ১০ হাজার ২০০ বছর আগে গৃহপালিত ছাগলের হাড় যা সময়ের হিসাব ব্যক্ত করে ছাগলের প্রথম সংস্থাপনের প্রমাণ দেয়।
স্বাধীন কৌশল বা সংখ্যার নির্দেশ
গবেষকদের অনুমান অনুসারে, বন্য পশু থেকে ছাগল গৃহপালনের কৌশল কৃষি সভ্যতার ধারক হিসেবে স্থাপিত হয়েছিল। তাদের নিয়ন্ত্রিত হাড়ের ছাপ সেই স্থানের ইটগুলোর ওপর প্রাকৃতিক প্রমাণ ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু স্পষ্ট প্রমাণে ছাগলের গৃহপালন গরুর তুলনায় আগে শুরু হয়। এটি প্রায় ১০ হাজার ৫০০ বছর আগে উর্বর চন্দ্রক্ষেতে ঘটে যায়। তখন আজকের ইরাক, সিরিয়া আর তুরস্ক অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই প্রথম পর্বে ছাগলের সংখ্যার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এদের পুরুষ ছাগলকে নির্দিষ্ট বয়সে জবাই করা হতো, কিন্তু স্ত্রী প্রাণীকে বাঁচিয়ে রাখা হতো। সেই নিয়ন্ত্রণের ফলে এটি আধুনিক রাখালদের মতো একটি জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরিবেশে প্রাণী পাওয়ার সুযোগ
বন্য গরু থেকে গৃহপালিত হওয়ার পথে প্রায় ৮ হাজার বছর আগে সিন্ধু সভ্যতার অঞ্চলে একটি প্রতিযোগিতা চালু হয়। টরিন গরু আর জেবু বা কুঁজোওয়ালা গরু দুটি প্রকার কিন্তু ছাগলের তুলনায় গরু পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তার লাভ করে। তাদের প্রাথমিক বিস্তার থেকে গরু প্রযুক্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয়। ছাগল ছিল তাদের সাথে বিপরীত প্রকার। তাদের ছোট আকার আর সহজে নিয়ন্ত্রণের সুবিধা গবেষকদের অনুমান অনুসারে কৃষি সভ্যতার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রথম সম্পৃক্ত হয়।
গবেষকরা ছাগলের জিনোম বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, প্রায় ৭ হাজার ২০০ বছর আগে এক বন্য ছাগলের প্রজাতি (ওয়েস্ট ককেশিয়ান টার) থেকে মিউকিন নামে একটি জিন ছাগলে ঢুকে