কালিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি আহত
ক ল গঞ জ স ম ন – কালিগঞ্জ সীমান্ত ঘটনার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে আহতদের অবস্থার প্রকোপ প্রায় দুই ঘন্টা বৃদ্ধি পায়। ঘটনার সংঘটন বুধবার (৩ জুন) রাত সোয়া দুইটায় কালিন্দী নদীর উপকণ্ঠে বসন্তপুর সীমান্তে ঘটে। আহতদের নাম মহিউদ্দিন (৪২) ও শাহীন (২৮)। তারা শীতলপুর গ্রামের পরিবারের সদস্য এবং বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্যে কাজ করছিলেন। কালিগঞ্জ সীমান্তে গুলি ছুড়া হয়েছিল তাদের বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করার সময়।
গুলির ঘটনার প্রকৃত সময় ও স্থান
বাংলাদেশ ও ভারতের কালিগঞ্জ সীমান্তে ঘটনার সময় দুই ব্যক্তি ভারতে অবৈধ প্রবেশ করেছিলেন। তারা গত এক বছর আগে কালিগঞ্জ সীমান্ত পেরিয়ে তামিলনাড়ু রাজ্যে যাওয়ার পর কাজে নিয়োগ পেয়েছিলেন। রাতে তারা কালিন্দী নদী সাঁতরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিল। কালিগঞ্জ সীমান্তে গুলির ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে অবস্থার গুরুতর হওয়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
“কালিগঞ্জ সীমান্তে অবৈধ আবাসন বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুয়েল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিএসএফ সদস্যরা আহতদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে। তাদের অবস্থা ভারী হওয়ায় সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
কালিগঞ্জ সীমান্তে ঘটনার পর হাসপাতালে আহতদের চিকিত্সা চলছে। কালিন্দী নদীর পাড়ে আছে অনেক সাংবাদিক ও মানুষ। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যাচ্ছে কালিগঞ্জ সীমান্তে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়ে আসছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনার প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে স্থানীয় সমাজ। কালিগঞ্জ সীমান্তে গুলির প্রতিক্রিয়া প্রায় সারা দেশে বিস্তার পাচ্ছে।
সীমান্ত প্রকোপ এবং আহতদের চিকিত্সা প্রক্রিয়া
অনেকে বিশ্বাস করেন কালিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ বাহিনী নিরাপত্তা বাড়াতে স্থানীয় মানুষ লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ছে। ঘটনার পর কালিগঞ্জ সীমান্ত স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে বিএসএফ আগামী দিনগুলিতে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
“কালিগঞ্জ সীমান্তে গুলির ঘটনার পর আমরা বিশেষ ভাবে এ বিষয়ে নজর রাখছি। বিএসএফ পরিচালনার প্রতি আমাদের নিয়মিত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।” বিএসএফ সদস্য বিশেষজ্ঞ আহমদ খান বলেন।
আহতদের চিকিত্সার প্রক্রিয়া সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চলছে। কালিগঞ্জ সীমান্ত